[email protected] মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬
২৩ চৈত্র ১৪৩২

নকল ঠেকাতে কঠোর পদক্ষেপের ইঙ্গিত, আইন সংশোধনের কথা শিক্ষামন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৬ এপ্রিল ২০২৬ ৮:২২ পিএম

সংগৃহীত ছবি

আসন্ন পাবলিক পরীক্ষায় নকল বন্ধে সরকার দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি বলেন, নকল পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব—এ বিষয়ে তিনি আশাবাদী। তার মতে, নকল বন্ধ বা চালু থাকা অনেকাংশেই সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলদের ওপর নির্ভর করে, বিশেষ করে শিক্ষকদের ভূমিকা এখানে গুরুত্বপূর্ণ।


মন্ত্রী জানান, বর্তমানে বিদ্যমান পাবলিক পরীক্ষা আইনে শাস্তির কার্যকর ব্যবস্থা নেই, ফলে আইনটি যুগোপযোগী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নতুন সংশোধনে ডিজিটাল উপাদান যুক্ত করার কথাও বিবেচনায় রয়েছে। তিনি আরও বলেন, নকলের সঙ্গে জড়িত শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের পাশাপাশি কেন্দ্র পরিদর্শকসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।


নকলের নানা পদ্ধতির দিক তুলে ধরে তিনি বলেন, পরীক্ষাকেন্দ্রে বেঞ্চের নিচে বা বাথরুমে আগেই নকল রাখা হয়—যা প্রশাসনিক ত্রুটি ছাড়া সম্ভব নয়। বাইরে থেকে সংঘবদ্ধভাবে নকল সরবরাহের ঘটনাও উল্লেখ করে তিনি বলেন, এসবের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


সোমবার (৬ এপ্রিল) ময়মনসিংহে শিক্ষাবোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি বোর্ড সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।


এ সময় শিক্ষামন্ত্রী আরও জানান, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা নির্ধারিত শিক্ষাবর্ষের মধ্যেই শেষ করার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে, যাতে অতিরিক্ত সময় নষ্ট না হয়। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা চললেও এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।


জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একদিন অনলাইন ও একদিন অফলাইন ক্লাস চালুর বিষয়েও আলোচনা চলছে বলে জানান তিনি। তবে এ ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হলে তা শুধু মহানগর এলাকায় সীমাবদ্ধ থাকতে পারে।
এছাড়া সফরকালে ময়মনসিংহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজকে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করেন

এসআর

সম্পর্কিত খবর