দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন শহরে ইসরায়েলি বাহিনীর ব্যাপক বিমান হামলা, কামানের গোলা এবং আন্তর্জাতিকভাবে নিষিদ্ধ ফসফরাস শেল নিক্ষেপের ফলে পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ
করেছে। এই ধারাবাহিক আক্রমণে এখন পর্যন্ত অন্তত পাঁচজন নিহতের খবর পাওয়া গেছে।
লেবাননের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি (NNA) জানিয়েছে, ইসরায়েলি বাহিনী দক্ষিণ লেবাননের একাধিক জনপদে একযোগে হামলা চালিয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:
নিহত ও হতাহত: বাজুরিয়েহ, নাবাতিয়েহ আল ফাউকা, সির আল ঘারবিয়েহ এবং চৌকাইন শহরে হামলায় অন্তত পাঁচজন প্রাণ হারিয়েছেন।
বিরামহীন আক্রমণ: বিনতে জবেইল শহরটি দীর্ঘ সময় ধরে ইসরায়েলি বাহিনীর অবিরাম লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
কামানের গোলাবর্ষণ: আল-হানিয়া, আল-কালিলাহ, আল-মানসুরি এবং বেইত আল-সাইয়াদ শহরগুলোতে ভারী কামানের গোলাবর্ষণ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, টায়ার জেলার জিবকিন শহরে কামানের গোলার পাশাপাশি আন্তর্জাতিকভাবে বিতর্কিত ও নিষিদ্ধ ফসফরাস শেল ব্যবহার করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। একই সময়ে সিদ্দিকিন শহরে যুদ্ধবিমান থেকে শক্তিশালী বোমা হামলা চালানো হয়।
গত কয়েকদিন ধরে দক্ষিণ লেবাননের সীমান্ত সংলগ্ন এলাকাগুলোতে এই বহুমুখী সামরিক আক্রমণের ফলে ওই অঞ্চলের মানবিক সংকট আরও ঘনীভূত হয়েছে। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা এখন চরম ঝুঁকির মুখে। বিশেষ করে মাজদাল জুন এবং বাইত আল-সাইয়াদ শহরে নতুন করে আক্রমণের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।
এই আগ্রাসনের ফলে বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা বাড়ার পাশাপাশি চিকিৎসা ও খাদ্য সহায়তার প্রয়োজনীয়তা তীব্র হয়ে উঠেছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উদ্বেগ সত্ত্বেও এই সীমান্ত সংঘাত থামার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।
এসআর