দেশে হামে আক্রান্ত শিশুদের বড় একটি অংশই টিকাদান কর্মসূচির বাইরে ছিল বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
তাদের তথ্য অনুযায়ী, আক্রান্তদের মধ্যে প্রায় ৭৪ শতাংশ কোনো টিকা পায়নি এবং আরও ১৪ শতাংশ পেয়েছে মাত্র এক ডোজ।
বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে হামের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানানো হয়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, দেশে হামের বিস্তার নিয়ন্ত্রণে টিকাদান কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত প্রায় ১ কোটি ৯ লাখ শিশুকে টিকার আওতায় আনা হয়েছে, যা নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ৬১ শতাংশ।
তিনি আরও জানান, হামের সংক্রমণ বর্তমানে যে উচ্চ পর্যায়ে রয়েছে, তা ধীরে ধীরে কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিশেষ করে চিহ্নিত ‘হটস্পট’ উপজেলাগুলোতে টিকাদান কার্যক্রমের পর সংক্রমণ কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এসেছে।
হামে আক্রান্ত রোগীদের এক হাসপাতাল থেকে অন্য হাসপাতালে স্থানান্তর না করার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, প্রতিটি হাসপাতালে আলাদা আইসোলেশন সুবিধা রয়েছে, তাই অযথা স্থানান্তরের প্রয়োজন নেই।
এছাড়া রুটিন ইপিআই টিকার নতুন চালান আগামী মাসের শুরুতে দেশে আসবে বলেও জানান তিনি।
ব্রিফিংয়ে ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন মহাপরিচালক। তিনি বলেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে স্থানীয় সরকারসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ চলছে এবং পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে হাজার হাজার শিশু আক্রান্ত হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিশু চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে, তবে কয়েকজন মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে বলে জানানো হয়।
এসআর