[email protected] রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

হাম পরিস্থিতি অবনতি: আরও ৭ জনের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৪ এপ্রিল ২০২৬ ৫:৪০ পিএম

দেশজুড়ে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে হাম-এ আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা। সংক্রমণ বৃদ্ধির এই প্রেক্ষাপটে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এর মধ্যে ৪ জনের শরীরে হাম নিশ্চিত হয়েছিল, আর বাকি ৩ জন উপসর্গ নিয়ে মারা যান।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর-এর কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
মাঠপর্যায়ের তথ্য অনুযায়ী, সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার অন্যতম কারণ হলো হাসপাতালগুলোতে পর্যাপ্ত আইসোলেশন বা পৃথক রাখার ব্যবস্থার ঘাটতি।

ফলে আক্রান্ত শিশুদের অন্য রোগীদের কাছাকাছি রাখতে হচ্ছে, যা নতুন সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, দ্রুত কার্যকর আইসোলেশন নিশ্চিত না করা গেলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।


স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, গত ১৫ মার্চ থেকে ২৪ এপ্রিল সকাল ৮টা পর্যন্ত দেশে মোট সন্দেহভাজন রোগীর সংখ্যা ২৯ হাজার ৫৫৯ জন।

এর মধ্যে ৪ হাজার ২৩১ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে সন্দেহভাজন ও নিশ্চিত মিলিয়ে ১৯ হাজার ৭০৫ জন হাসপাতালে ভর্তি হন এবং চিকিৎসা শেষে ১৬ হাজার ৫২৭ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।


প্রাদুর্ভাব শুরুর পর এখন পর্যন্ত হাম আক্রান্ত হয়ে ৪২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া হাম-সদৃশ উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন আরও ১৯৮ জন।


গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১ হাজার ২১৫ জন সন্দেহভাজন রোগী শনাক্ত হয়েছে বলে জানানো হয়। আক্রান্তদের বড় অংশই শিশু হওয়ায় চিকিৎসাসেবা দিতে হাসপাতালগুলোতে চাপ বাড়ছে, হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা।


জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, হাম অত্যন্ত সংক্রামক একটি রোগ। সময়মতো টিকা গ্রহণ না করা এবং আক্রান্তদের সংস্পর্শে আসার কারণেই এই প্রাদুর্ভাব দীর্ঘায়িত হচ্ছে।

শিশুদের জ্বরের সঙ্গে শরীরে লালচে ফুসকুড়ি দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া এবং অন্যদের থেকে আলাদা রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

এসআর

সম্পর্কিত খবর