৭২ জন শিক্ষক প্রশাসনিক পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন - এমন দাবি নিয়ে আলোচনা তৈরি হলেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বলছে, এখন পর্যন্ত তাদের কাছে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো পূর্ণাঙ্গ আবেদন জমা পড়েনি।
অন্যদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন বিভাগীয় চেয়ারম্যান জানান, তারা ব্যক্তিগতভাবে এখনো কোনো পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর করেননি।
পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে ইঙ্গিত দেন তারা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার হুমায়ুন কবির বলেন, তার দপ্তরে এখন পর্যন্ত কোনো পদত্যাগপত্র জমা পড়েনি।
তিনি জানান, অফিস বন্ধ থাকায় শিক্ষকরা কোথায় আবেদন জমা দিয়েছেন, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টরাই ভালো বলতে পারবেন।
এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম জানিয়েছেন, তিনি এখন পর্যন্ত মাত্র তিনজন শিক্ষকের পদত্যাগপত্র পেয়েছেন।
গণমাধ্যমে যে সংখ্যার কথা বলা হচ্ছে, তার পক্ষে এখনো কোনো লিখিত বা আনুষ্ঠানিক তথ্য তার কাছে নেই বলেও জানান তিনি।
উপাচার্যের ভাষ্য, আন্দোলনের বিষয়টিকে বড় করে তুলে ধরতেই গণপদত্যাগের বিষয়টি প্রচার করা হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এসআর