মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োকেমিস্ট্রি ও মলিকুলার বায়োলজি বিভাগে ‘মলিকিউল থেকে মেডিসিন: ভবিষ্যৎ বায়োকেমিস্টদের জন্য ডায়াগনস্টিকস ও মাননিয়ন্ত্রণ’ শীর্ষক একটি সময়োপযোগী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (৫ মে ২০২৬) বিভাগের সেমিনার হলে উচ্চশিক্ষা উন্নয়নভিত্তিক একটি সাব-প্রকল্পের আওতায় এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ও মূল বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ারুল আজীম আখন্দ।
তিনি বলেন, বিশ্বমানের উচ্চশিক্ষা অর্জনে গবেষণা, উদ্ভাবন এবং ব্যবহারিক দক্ষতা উন্নয়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের আধুনিক ল্যাব সুবিধা ও শিল্পমুখী শিক্ষার পরিবেশ গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
কর্মশালায় বিশেষজ্ঞ হিসেবে বক্তব্য দেন লাইফ সায়েন্স অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আবু জুবাইর, বারডেম জেনারেল হাসপাতালের ক্লিনিক্যাল বায়োকেমিস্ট্রি ও হেমাটোলজি বিভাগের প্রিন্সিপাল সায়েন্টিফিক অফিসার ড. মো. আব্দুল মোত্তালিব এবং রেনাটা লিমিটেডের মাননিয়ন্ত্রণ বিভাগের ব্যবস্থাপক মো. মাসুদ পারভেজ।
তারা মলিকুলার ডায়াগনস্টিকস, ক্লিনিক্যাল বায়োকেমিস্ট্রি, ল্যাবরেটরির মান নিয়ন্ত্রণ, ওষুধ শিল্পের মানদণ্ড এবং বায়োকেমিস্টদের ভবিষ্যৎ কর্মক্ষেত্র নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
কর্মশালার কোর্স পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. আসাদুজ্জামান সিকদার।
শুরুতে স্বাগত বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মো. খায়রুল ইসলাম বলেন, বর্তমান সময়ে বায়োকেমিস্ট্রি ও মলিকুলার বায়োলজি শুধু তাত্ত্বিক বিষয় নয়, বরং রোগ নির্ণয়, চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা, ওষুধ শিল্পের মান নিশ্চিতকরণ এবং বায়োটেকনোলজির উদ্ভাবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তাই শিক্ষার্থীদের বাস্তবভিত্তিক দক্ষতা অর্জন অপরিহার্য।
কর্মশালাটি ‘আধুনিক ল্যাবরেটরি ও ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে বায়োকেমিস্ট্রি ও মলিকুলার বায়োলজি শিক্ষাকে যুগোপযোগী করে তোলা’—এই প্রতিপাদ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পরিচালিত হয়।
দিনব্যাপী আয়োজনে শিক্ষক, গবেষক ও বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী অংশ নেন। অংশগ্রহণকারীরা এটিকে তথ্যসমৃদ্ধ ও পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হিসেবে উল্লেখ করেন।
আয়োজকরা জানান, এ ধরনের প্রশিক্ষণ, সেমিনার ও কর্মশালা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
এসআর