ইনজুরির কারণে সিরিজের শুরুতে মাঠের বাইরে থাকলেও শেষ ওয়ানডেতে দারুণভাবে প্রত্যাবর্তন করেছেন বাংলাদেশের বাঁহাতি পেসার মোস্তাফিজুর রহমান।
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে নির্ধারণী ম্যাচে বল হাতে অসাধারণ পারফরম্যান্স দেখিয়ে আবারও নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন তিনি।
এই ম্যাচে কাটার ও বৈচিত্র্যময় স্লোয়ার ডেলিভারিতে কিউই ব্যাটারদের চাপে ফেলেন মোস্তাফিজ। মাত্র ৯ ওভারে ৪৩ রান দিয়ে ৫ উইকেট তুলে নিয়ে ওয়ানডে ক্যারিয়ারে ষষ্ঠবারের মতো ‘ফাইফার’ অর্জন করেন তিনি। দীর্ঘ সাত বছর পর আবারও এক ম্যাচে পাঁচ উইকেট নেওয়ার এই সাফল্য আসে তার ঝুলিতে।
এর আগে ২০১৯ বিশ্বকাপে ভারত ও পাকিস্তানের বিপক্ষে টানা দুটি ম্যাচে পাঁচ উইকেট নেওয়ার কৃতিত্ব দেখিয়েছিলেন এই বাঁহাতি পেসার। এবার নতুন করে সেই ধারাবাহিকতার ইঙ্গিত দিলেন তিনি।
ওয়ানডেতে বাঁহাতি পেসারদের মধ্যে সর্বোচ্চ পাঁচ উইকেট নেওয়ার তালিকায় এখন যৌথভাবে দ্বিতীয় অবস্থানে উঠে এসেছেন মোস্তাফিজ। পাকিস্তানের ওয়াসিম আকরাম ও নিউজিল্যান্ডের ট্রেন্ট বোল্টের সঙ্গে সমান সংখ্যক ফাইফার রয়েছে তার। তবে ইনিংসের হিসাবে আকরামের তুলনায় অনেক কম ম্যাচেই এই সাফল্য পেয়েছেন তিনি।
এই তালিকায় সবার ওপরে রয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার মিচেল স্টার্ক, যার নামের পাশে রয়েছে ৯টি পাঁচ উইকেটের কীর্তি। ভবিষ্যতে সেই রেকর্ড ছোঁয়ার সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে মোস্তাফিজের সামনে।
বাংলাদেশের পক্ষে ওয়ানডেতে সবচেয়ে বেশি পাঁচ উইকেট নেওয়ার রেকর্ড আগেই ছিল তার দখলে। এবার ষষ্ঠবারের মতো এই মাইলফলক স্পর্শ করে নিজ অবস্থান আরও মজবুত করলেন তিনি।
বাংলাদেশি বোলারদের মধ্যে তার পরেই রয়েছেন আব্দুর রাজ্জাক ও সাকিব আল হাসান, যাদের ঝুলিতে আছে চারটি করে পাঁচ উইকেট। এছাড়া নাহিদ রানার রয়েছে দুইবার পাঁচ উইকেট নেওয়ার কৃতিত্ব।
বিশ্ব ক্রিকেটে ওয়ানডেতে সবচেয়ে বেশি পাঁচ উইকেট নেওয়ার রেকর্ড এখনো পাকিস্তানের ওয়াকার ইউনিসের দখলে, যিনি ১৩ বার এই সাফল্য পেয়েছেন। তালিকার শীর্ষদের মধ্যে আরও আছেন মুত্তিয়া মুরালিধরন, মিচেল স্টার্ক, ব্রেট লি ও শহীদ আফ্রিদি। এই তালিকায় ধীরে ধীরে নিজের অবস্থান শক্ত করছেন মোস্তাফিজুর রহমান।
এসআর