[email protected] সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬
২২ চৈত্র ১৪৩২

হাম প্রতিরোধে আগের সরকারের গাফিলতি, জোরদার টিকাদানে গুরুত্ব দিচ্ছে বর্তমান সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৫ এপ্রিল ২০২৬ ৮:১৪ পিএম

সংগৃহীত ছবি

দেশে হাম-রুবেলা প্রতিরোধে আগের অন্তর্বর্তী সরকারের সময় প্রয়োজনীয় উদ্যোগ ও প্রচারণার ঘাটতি ছিল বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

তিনি বলেন, বিভিন্ন কারণে তখন রোগ নিয়ন্ত্রণে যথাযথ মনোযোগ দেওয়া হয়নি, যার প্রভাব এখন দেখা যাচ্ছে।


রোববার (৫ এপ্রিল) সকালে কক্সবাজারের মহেশখালী ও রামু উপজেলায় হাম-রুবেলা প্রতিরোধে জরুরি টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।


মন্ত্রী জানান, বর্তমানে সরকার পরিস্থিতি মোকাবিলায় ব্যাপক টিকাদান কার্যক্রম চালু করেছে। প্রথম ধাপে দেশের ১৮টি জেলার ৩০টি উপজেলায় এ কর্মসূচি শুরু হয়েছে এবং ধাপে ধাপে এটি সারা দেশে বিস্তৃত করা হবে। ২০২৬ সালের মধ্যে হাম নিয়ন্ত্রণে এনে শিশুমৃত্যু শূন্যের কাছাকাছি নামিয়ে আনার লক্ষ্য রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।


জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, কক্সবাজারের মহেশখালী ও রামু উপজেলায় প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার শিশুকে টিকার আওতায় আনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে জেলায় হাম আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে। গত একদিনে নতুন করে ২৫ জন শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এবং বর্তমানে জেলা সদর হাসপাতালে ৪২ জন চিকিৎসাধীন রয়েছে।


এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় রামু উপজেলার এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় হাম-সদৃশ উপসর্গে মোট পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে।


স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, মহেশখালী, হোয়াইক্যং, রামুর মিঠাছড়ি এবং কক্সবাজার শহরের কয়েকটি এলাকায় আক্রান্তের হার বেশি। পরিস্থিতি সামাল দিতে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে আলাদা আইসোলেশন ওয়ার্ড চালু করা হয়েছে।


৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের অগ্রাধিকার দিয়ে টিকা দেওয়া হচ্ছে। তবে জ্বর বা অসুস্থতা থাকলে সুস্থ হওয়ার পর টিকা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এসআর

সম্পর্কিত খবর