ইরানের এয়ারলাইন্সগুলোর আন্তর্জাতিক কার্যক্রম আরও কঠোরভাবে সীমিত করতে নতুন পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট জানিয়েছেন, কোনো দেশ বা প্রতিষ্ঠানের বিমানবন্দর ইরানি উড়োজাহাজকে জ্বালানি সরবরাহ, অবতরণের সুবিধা কিংবা টিকিট বিক্রির মতো সেবা দিলে তাদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।
সিএনবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বেসেন্ট বলেন, নির্ধারিত তারিখ থেকে ইরানের এয়ারলাইন্সগুলোর আন্তর্জাতিক কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হবে।
ইরানি বিমানকে সহায়তা করা বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপরও কঠোর আর্থিক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান তিনি।
এর ফলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো মার্কিন ডলারভিত্তিক আন্তর্জাতিক আর্থিক লেনদেন ব্যবস্থায় সমস্যার মুখে পড়তে পারে।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেই নতুন এই পদক্ষেপের ঘোষণা এলো।
এর আগে চলতি মাসের শুরুতে ইরানের অবশিষ্ট এয়ারলাইন্স এবং দেশটির বিমান খাতকে যন্ত্রাংশ ও অন্যান্য সহায়তা দেওয়া বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধেও নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল যুক্তরাষ্ট্র।
দীর্ঘদিন ধরে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরানের বিমান পরিবহন খাত নানা সংকটে রয়েছে।
নতুন উড়োজাহাজ সংগ্রহ এবং পুরোনো বিমানের প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ সংগ্রহেও দেশটির এয়ারলাইন্সগুলোকে নানা বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে।
ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ বাড়ানোর বৃহত্তর মার্কিন নীতির অংশ হিসেবেই এ পদক্ষেপকে দেখা হচ্ছে।
জ্বালানি, নৌপরিবহন, প্রযুক্তি ও স্বর্ণসহ বিভিন্ন খাতে ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করা বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপরও বিভিন্ন সময়ে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ওয়াশিংটন।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের বৈঠকের আগে চীনের উপপ্রধানমন্ত্রী হি লিফেংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেছেন স্কট বেসেন্ট।
ইরানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক অংশীদার চীনের অবস্থান এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
বেসেন্ট জানান, ইরান ইস্যুতে চীনা কর্মকর্তাদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা হয়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে বেইজিং গুরুত্বের সঙ্গে কাজ করছে।
এসআর