সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্ত সুপারিশ পাওয়ার পরও নিয়োগপত্র না পাওয়া প্রার্থীদের একাংশ নিয়োগের দাবিতে রাজধানীর শাহবাগে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন।
নিয়োগপ্রত্যাশীরা ‘সারা বাংলাদেশের নিয়োগপত্র বঞ্চিত শিক্ষকবৃন্দ’ নামে একটি প্ল্যাটফর্মের ব্যানারে এ কর্মসূচি পালন করছেন। শনিবার রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্য থেকে রোববারের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।
আন্দোলনকারীদের ভাষ্য, ২০২৫ ব্যাচে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে ১৪ হাজার ৩৮৪ জনকে চূড়ান্তভাবে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়েছিল। ভেরিফিকেশন শেষে তাদের মধ্যে অন্তত ২ হাজার জন নিয়োগপত্র পাননি। তবে আন্দোলনকারীদের প্রচারিত বিজ্ঞপ্তিতে এই সংখ্যা ২ হাজার ৫০০-এর বেশি বলে দাবি করা হয়েছে।
তাদের অভিযোগ, চূড়ান্ত সুপারিশ পাওয়ার পর প্রায় আট মাস বেকার থাকার পর ভেরিফিকেশনের মাধ্যমে তাদের একটি অংশকে নিয়োগ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। কোনো ফৌজদারি অপরাধ, রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড বা সনদ জালিয়াতির সঙ্গে সম্পৃক্ত নন—এমন যোগ্য প্রার্থীদের সরকারি চাকরির বিধি অনুযায়ী নিয়োগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
কেন এতসংখ্যক প্রার্থীকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়নি, সে বিষয়েও স্পষ্ট ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি বলে দাবি আন্দোলনকারীদের। একই সঙ্গে নিয়োগ প্রক্রিয়ার দায়িত্ব নিয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, মন্ত্রণালয় ও জেলা শিক্ষা অফিসের মধ্যে সমন্বয়হীনতার অভিযোগও তুলেছেন তারা।
আন্দোলনকারীদের দাবি, নতুন করে ভেরিফিকেশনের নামে সময়ক্ষেপণ না করে যোগ্য প্রার্থীদের দ্রুত নিয়োগপত্র দিতে হবে। ২৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নিয়োগপত্র দেওয়ার পাশাপাশি ১ অক্টোবর সব যোগ্য প্রার্থীকে একযোগে কর্মস্থলে যোগদানের সুযোগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
দাবি পূরণ না হলে কর্মসূচি অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন নিয়োগবঞ্চিতরা। এদিকে সমস্যা সমাধানে ১০ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল সচিবালয়ের উদ্দেশে রওনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আন্দোলনকারীদের প্রতিনিধিরা।
এসআর