[email protected] শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬
২২ কার্তিক ১৪৩৩

দুদকের প্রেস ব্রিফিংয়ের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আসিফ মাহমুদের রিট

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৫:১৯ পিএম

সংগৃহীত ছবি

দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ অনুসন্ধানের প্রাথমিক পর্যায়েই দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষ থেকে ‘প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে’ এমন বক্তব্য দেওয়ার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেছেন সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

একই সঙ্গে অনুসন্ধান বা তদন্তাধীন কোনো বিষয়ে গণমাধ্যমে মানহানিকর বা বিভ্রান্তিকর প্রেস ব্রিফিং দেওয়া থেকে দুদককে বিরত রাখার নির্দেশনাও চাওয়া হয়েছে রিটে।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিটটি দায়ের করেন আসিফ মাহমুদের আইনজীবী অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মূসা।

সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের অধীনে দায়ের করা এ রিটের নম্বর ১৩৮৮৫/২০২৬।

রিট আবেদনে গত ২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর দুদকের দেওয়া প্রেস ব্রিফিংকে বেআইনি ও আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করার আবেদন জানানো হয়েছে।

পাশাপাশি বিচারাধীন বা অনুসন্ধানাধীন কোনো বিষয়ে এ ধরনের প্রেস ব্রিফিং না করার জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা এবং এরই মধ্যে গণমাধ্যমে প্রচারিত বক্তব্য সমগুরুত্ব দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহারের নির্দেশনাও চাওয়া হয়েছে।

রিটে দুদক চেয়ারম্যান, কমিশনের উপপরিচালক (জনসংযোগ কর্মকর্তা) এবং সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ কর্মকর্তা)কে বিবাদী করা হয়েছে।

আবেদনে বলা হয়েছে, গত ২ সেপ্টেম্বর দুদকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে কমিশনের এক উপপরিচালক জানান, সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ ও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বদলি, নিয়োগ ও পদোন্নতি বাণিজ্যের অভিযোগের ‘প্রাথমিক সত্যতা’ পাওয়ায় অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

রিটকারীর দাবি, দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের কাঠামো অনুযায়ী অনুসন্ধান শুরুর পর্যায়েই কোনো অভিযোগের ‘প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে’ বলে ঘোষণা দেওয়ার আইনগত সুযোগ নেই।

রিটে আরও উল্লেখ করা হয়, পরবর্তী সময়ে ৯ সেপ্টেম্বর দুদকের সচিব গণমাধ্যমের প্রশ্নের জবাবে ওই বক্তব্যকে ‘স্লিপ অব দ্য টাং’ বা অনিচ্ছাকৃতভাবে মুখ ফসকে বলা কথা হিসেবে ব্যাখ্যা করেন।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাও সাংবাদিকদের একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে বক্তব্যটি অনিচ্ছাকৃত ভুল ছিল বলে জানান। তবে ওই বক্তব্যের বিষয়ে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক ও স্পষ্ট কোনো প্রত্যাহার বিজ্ঞপ্তি গণমাধ্যমে প্রকাশ করা হয়নি বলে রিটে দাবি করা হয়েছে।

এসআর

সম্পর্কিত খবর