[email protected] মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬
২২ বৈশাখ ১৪৩৩

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সামাল দিতে কঠোর অবস্থানে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৪ মে ২০২৬ ৫:৫২ পিএম

সংগৃহীত ছবি

দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নত করা এবং সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরিয়ে আনতে সরকার কঠোর ও আইনানুগ পদক্ষেপ গ্রহণ করছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

সোমবার (৪ মে) বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত একটি বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। বৈঠকটি ছিল বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিকদের ব্যবস্থাপনা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে গঠিত জাতীয় কমিটির।


স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন। সভায় বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীর ব্যবস্থাপনা, নিরাপত্তা এবং সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।


মন্ত্রী জানান, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নির্বাচিত সরকার জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করছে। অতীত থেকে পাওয়া অস্থির পরিস্থিতি কাটিয়ে প্রশাসনকে আরও সুশৃঙ্খল করতে কিছুটা সময় লাগলেও সরকার সঠিক পথে অগ্রসর হচ্ছে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।


পুলিশ প্রশাসনে সাম্প্রতিক বদলি ও বাধ্যতামূলক অবসর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এসব বিষয় সম্পূর্ণ প্রশাসনিক এবং নিয়মিত প্রক্রিয়ার অংশ। নিয়োগ, পদোন্নতি কিংবা শৃঙ্খলাজনিত ব্যবস্থা—সবই নির্ধারিত বিধিমালা অনুসরণ করে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।


তিনি আরও বলেন, বাধ্যতামূলক অবসরের মতো সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কমিটি যাচাই-বাছাই করে থাকে, যাতে কোনো ধরনের অবিচার না হয়।


২০২৪ সালের আগস্টের পর কারাগার থেকে জামিনে মুক্ত ব্যক্তিদের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে মন্ত্রী বলেন, জামিন দেওয়া আদালতের এখতিয়ারভুক্ত বিষয়। তবে এদের মধ্যে কেউ যেন পুনরায় অপরাধে জড়িয়ে না পড়ে, সে বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক রয়েছে।


অপরাধ দমনে কঠোর বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, হত্যা বা যেকোনো গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং অপরাধীদের ছাড় দেওয়া হবে না।


এছাড়া, মাদক, অবৈধ অস্ত্র ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ১ মে থেকে সারাদেশে বিশেষ যৌথ অভিযান শুরু হয়েছে বলে জানান তিনি। এ অভিযানে পুলিশ, র‍্যাব, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরসহ বিভিন্ন সংস্থা একযোগে কাজ করছে।


মন্ত্রী বলেন, বিশেষ করে মাদক চক্রের মূল হোতা এবং সীমান্তভিত্তিক চোরাচালান সিন্ডিকেটগুলোকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

এসআর

সম্পর্কিত খবর