[email protected] বৃহঃস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
১৭ বৈশাখ ১৪৩৩

আন্দোলনের দিন সবার ফোন কেন বন্ধ ছিল, সংসদে প্রশ্ন রফিকুল ইসলামের

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৯ এপ্রিল ২০২৬ ১১:১৮ পিএম

সংগৃহীত ছবি

বুধবার (২৯ এপ্রিল ২০২৬) স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংসদ অধিবেশনে বর্তমান রাষ্ট্রপতিকে ‘গণহত্যার সরাসরি সহযোগী’ আখ্যা দিয়ে তাকে ধন্যবাদ জানাতে অস্বীকৃতি জানান জামায়াত নেতা রফিকুল ইসলাম খান। তিনি অভিযোগ করেন,

 সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিতর্কিত কাজ ও গণহত্যায় বর্তমান রাষ্ট্রপতি বাধা না দিয়ে বরং নির্বিঘ্নে সহযোগিতা করেছেন।

​বিএনপির উদ্দেশ্যে তিনি প্রশ্ন তোলেন, কেন একজন বিতর্কিত ব্যক্তিকে এখনো রাষ্ট্রপতি পদে রাখা হয়েছে। তিনি বি চৌধুরীর উদাহরণ টেনে বলেন, বিএনপি একসময় নিজ দলীয় রাষ্ট্রপতি সরাতে দেরি করেনি, তবে এখন কেন এই সিদ্ধান্ত নিতে বিলম্ব হচ্ছে তা রহস্যজনক।

​তিনি ১৯৯১ সাল থেকে জামায়াত ও বিএনপির রাজনৈতিক সম্পর্কের স্মৃতিচারণ করে বলেন, জামায়াত সব সময় নিঃস্বার্থভাবে সমর্থন দিয়ে এসেছে। তবে নির্বাচনের পর জামায়াতের প্রতি বর্তমান আচরণের সমালোচনা করেন তিনি। এছাড়া প্রশাসনে ‘দলীয়করণ’ ও বৈষম্যের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন:

​ওএসডি থাকা নির্যাতিত কর্মকর্তাদের মূল্যায়ন করা হচ্ছে না।

​ডিসি ও ভিসি নিয়োগে দলীয় ভিত্তি প্রাধান্য পাচ্ছে।

​ফ্যাসিবাদের দোসররা এখনো সুবিধাজনক অবস্থানে বহাল রয়েছে।

​স্বাস্থ্যখাতে বিশৃঙ্খলার উদাহরণ দিয়ে তিনি জানান, মন্ত্রীর নির্দেশের বাইরেও কোনো এক ‘অদৃশ্য শক্তি’ প্রশাসনিক কাজে বাধা দিচ্ছে। পাশাপাশি বিগত সরকারের আমলে নিজের ওপর হওয়া অমানবিক নির্যাতন এবং তার ১৬ বছরের ছেলেকে গুম ও নির্যাতনের ফলে চোখের স্থায়ী ক্ষতির কথা সংসদে আবেগঘনভাবে তুলে ধরেন।

​২০১৩ সালের ‘মার্চ ফর ডেমোক্রেসি’র সময় গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের ফোন বন্ধ থাকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। সবশেষে সংবিধান সংস্কারের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, জুলাই সনদ এবং গণভোটের রায় বাস্তবায়নের মাধ্যমেই বিদ্যমান সব সমস্যার সমাধান সম্ভব।

এসআর

সম্পর্কিত খবর