দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ নিয়ে কোনো সংকট তৈরি হবে না বলে আশ্বস্ত করেছে জ্বালানি বিভাগ।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চলতি এপ্রিলের পাশাপাশি আগামী মে মাসেও তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে, ফলে সরবরাহে কোনো বিঘ্ন ঘটার সম্ভাবনা নেই।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) এক ব্রিফিংয়ে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ও যুগ্ম-সচিব মনির হোসেন চৌধুরী এ তথ্য তুলে ধরেন।
তিনি জানান, অবৈধ মজুদ ও অনিয়ম ঠেকাতে গত ৩ মার্চ থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত সারাদেশে ৯ হাজারের বেশি অভিযান চালানো হয়েছে। এসব অভিযানে ৩ হাজারেরও বেশি মামলা দায়ের করা হয়েছে, পাশাপাশি জরিমানা আদায় ও কারাদণ্ডের ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে।
অভিযানগুলোতে বিপুল পরিমাণ অবৈধ জ্বালানি তেল জব্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে ডিজেল, অকটেন ও পেট্রোলসহ বিভিন্ন ধরনের তেল রয়েছে। এছাড়া চট্টগ্রাম থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ফার্নেস অয়েলও উদ্ধার করা হয়েছে।
বর্তমান মজুত পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, দেশে ডিজেল, অকটেন, পেট্রোল ও জেট ফুয়েল—সব ধরনের জ্বালানির পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। এ মজুতের ভিত্তিতে আগামী দুই মাসে কোনো ঘাটতির আশঙ্কা নেই এবং সরবরাহও স্বাভাবিক থাকবে।
তিনি আরও জানান, জ্বালানির মূল্য প্রতি মাসে সমন্বয় করা হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও পরিস্থিতি বিবেচনায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
ঢাকার বাইরে পেট্রোল পাম্পে স্বাভাবিক অবস্থা বিরাজ করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, অযথা আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত তেল কেনার প্রয়োজন নেই। গত বছরের মতোই এ বছরও সমপরিমাণ জ্বালানি সরবরাহ অব্যাহত রয়েছে।
শিল্প খাতের জ্বালানি নিয়েও কোনো সমস্যা নেই জানিয়ে তিনি বলেন, চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি বেসরকারি খাতে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি আমদানির অনুমোদনও দেওয়া হয়েছে, যা সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরও স্থিতিশীল রাখবে।
এসআর