দেশে ৩০ শতাংশ এলপিজি ফিলিং স্টেশন বন্ধ রয়েছে—এমন দাবিতে প্রকাশিত একটি সংবাদকে বিভ্রান্তিকর ও ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি)-এর ফ্যাক্ট-চেকিং ইউনিট ‘বাংলাফ্যাক্ট’।
প্রতিষ্ঠানটির তথ্যমতে, একটি জাতীয় দৈনিকে সম্প্রতি প্রকাশিত প্রতিবেদনে সরবরাহ সংকটের কারণে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক এলপিজি স্টেশন বন্ধ হয়ে গেছে বলে দাবি করা হয়। তবে অনুসন্ধানে এ তথ্যের পক্ষে কোনো নির্ভরযোগ্য উৎস পাওয়া যায়নি।
বাংলাফ্যাক্ট জানায়, এ বিষয়ে সরকারিভাবে কোনো ঘোষণা বা নিশ্চিত তথ্য নেই। একইসঙ্গে সংশ্লিষ্ট সংগঠন ‘বাংলাদেশ এলপিজি অটোগ্যাস স্টেশন অ্যান্ড কনভারশন ওয়ার্কশপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন’-এর পক্ষ থেকেও এমন কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।
সংগঠনটির এক কর্মকর্তা জানান, বর্তমানে দেশে প্রায় ৯৮৮টি এলপিজি ফিলিং স্টেশন চালু রয়েছে। স্টেশন বন্ধ হওয়ার বিষয়ে তাদের কাছে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই এবং সংগঠনের কেউ এ ধরনের দাবি করেননি।
এদিকে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ও জানিয়েছে, দেশে ৩০ শতাংশ এলপিজি স্টেশন বন্ধ হওয়ার কোনো তথ্য তাদের কাছে নেই।
বাংলাফ্যাক্টের মূল্যায়নে, সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদনে যাচাই-বাছাই ছাড়াই তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে, যা বিভ্রান্তি তৈরি করতে পারে।
ফ্যাক্ট-চেকিং সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কিছু প্ল্যাটফর্মে বাংলাদেশকে ঘিরে ভুল তথ্য ছড়ানোর প্রবণতা বেড়েছে। এ ধরনের অপতথ্য প্রতিরোধে নিয়মিত কাজ করছে বাংলাফ্যাক্ট।
প্রতিষ্ঠানটি জানায়, তারা ধারাবাহিকভাবে বিভ্রান্তিকর তথ্য যাচাই করে সঠিক তথ্য তুলে ধরছে এবং গণমাধ্যম গবেষণায়ও কাজ করছে।
এসআর