দীর্ঘ সময় রোজা রাখার পর ইফতারের সময় সঠিক খাদ্য নির্বাচন শরীরের শক্তি পুনরুদ্ধার
এবং সুস্থতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আপনি ইফতারে কী খাচ্ছেন, তার ওপর নির্ভর করে পুরো রমজান মাসে আপনার শারীরিক সক্ষমতা কেমন থাকবে। বিশেষজ্ঞরা ইফতারে সব ধরনের প্রধান খাদ্যগোষ্ঠীর সমন্বয় রাখার পরামর্শ দিয়েছেন।
উপকারী খাদ্য তালিকা
সুস্থ থাকতে ইফতারে নিচের খাবারগুলো অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করুন:
ফল ও শাকসবজি: প্রতিদিন অন্তত দুইবার শাকসবজি এবং দুইবার ফল খাওয়া উচিত।
খেজুর: ইফতারের শুরুতে খেজুর খাওয়া ঐতিহ্যগত এবং বৈজ্ঞানিকভাবেও উপকারী, কারণ এটি পটাশিয়াম সমৃদ্ধ যা পেশি ও স্নায়ুকে সচল রাখে। তবে এতে চিনির পরিমাণ বেশি থাকায় সীমিত পরিমাণে গ্রহণ করা ভালো।
জটিল কার্বোহাইড্রেট: সাদা চাল বা রুটির পরিবর্তে লাল চাল, আস্ত শস্যের আটা বা নুডলস বেছে নিন। এগুলো শরীরকে দীর্ঘক্ষণ শক্তি জোগাতে এবং ফাইবার ও খনিজের জোগান দিতে সাহায্য করে।
প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার: চর্বিহীন মাংস, চামড়াবিহীন মুরগি, মাছ, ডিম, ডাল এবং কম চর্বিযুক্ত দুগ্ধজাত খাবার ইফতারে প্রোটিনের চমৎকার উৎস হতে পারে।
খাবারকে স্বাস্থ্যকর রাখতে তেলের ব্যবহার সীমিত করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। ডুবো তেলে ভাজার পরিবর্তে স্টিমিং, গ্রিলিং, বেকিং বা শ্যালো ফ্রাইং পদ্ধতি বেছে নেওয়া ভালো। এছাড়া রান্নার তেল নির্বাচনের ক্ষেত্রে আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট সমৃদ্ধ তেল ব্যবহারের চেষ্টা করুন।
এসআর
মন্তব্য করুন: