রমজান মাসে খাদ্যাভ্যাস এবং ঘুমের রুটিনে বড় পরিবর্তন আসে। এই পরিবর্তনের সাথে শরীরকে
মানিয়ে নিতে এবং সুস্থ থাকতে প্রয়োজন সচেতনতা। ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত সঠিক নিয়ম মেনে চললে ক্লান্তি ও অবসাদ দূর করা সম্ভব।
সুষম ইফতার: ইফতার শুরু করুন খেজুর ও পানি বা ডাবের পানি দিয়ে। অতিরিক্ত ভাজাপোড়া (পেঁয়াজু, বেগুনি) ও চিনিযুক্ত পানীয়র বদলে দই-চিঁড়া, ফলের রস বা ফলমূল রাখার চেষ্টা করুন।
পরিমিত সেহরি: সেহরি বাদ দিয়ে রোজা রাখা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। সেহরিতে লাল চালের ভাত, রুটি, শাকসবজি ও প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার খান, যা দীর্ঘক্ষণ শরীরে শক্তি জোগাবে।
হাইড্রেটেড থাকা: ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে অন্তত ৮ গ্লাস পানি পান করুন।
ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় (চা-কফি) এড়িয়ে চলুন, কারণ এটি তৃষ্ণা বাড়িয়ে দেয়।
সুস্থতায় জীবনযাপনের নিয়ম
পর্যাপ্ত ঘুম: সুস্থ থাকতে রাতে অন্তত ৭-৮ ঘণ্টা ঘুম নিশ্চিত করুন। অতিরিক্ত মোবাইল ফোন বা স্ক্রিন টাইম কমিয়ে সেই সময়টুকু বিশ্রামে কাজে লাগান।
হালকা ব্যায়াম: রমজানে ভারী ব্যায়াম এড়িয়ে চলুন। তবে ইফতারের পর বা সেহরির আগে হালকা হাঁটাচলা বা ইয়োগা করলে শরীর সচল থাকে।
সংযমী খাদ্যাভ্যাস: 'আনলিমিটেড' বা বুফে অফারের প্রলোভনে পড়ে অতিরিক্ত খাবার গ্রহণ করবেন না। এটি বদহজম ও শারীরিক অস্বস্তি তৈরি করে।
বিশেষ সতর্কতা: ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ বা কিডনি রোগ থাকলে রোজা রাখার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধের সময়সূচি ঠিক করে নিন।
খাবারের চেয়ে বিশ্রামের দিকে বেশি মনোযোগ দিন এবং ডিজিটাল ডিভাইসের ব্যবহার কমিয়ে প্রাকৃতিক প্রশান্তি খুঁজুন।
এসআর
মন্তব্য করুন: