আধুনিক কর্মব্যস্ত জীবন এবং অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাসের কারণে শরীরে ইউরিক অ্যাসিডের
মাত্রা বেড়ে যাওয়া এখন একটি সাধারণ সমস্যা। অতিরিক্ত প্রোটিন গ্রহণ এবং ওজন বৃদ্ধির ফলে রক্তে এই অ্যাসিডের পরিমাণ বেড়ে যায়, যা হাড়ের জয়েন্টে ব্যথা, প্রস্রাবে সংক্রমণ এবং এমনকি কিডনিতে পাথরের কারণ হতে পারে।
ইউরিক অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণে রাখতে হলে খাবারের তালিকায় থাকা ডালের ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি। নিচে ডালভেদে এর প্রভাব আলোচনা করা হলো:
ডালের ধরন পিউরিনের মাত্রা (মিলিগ্রাম)
মুগ ডাল ২৫ - ৩৫ পিউরিন কম থাকায় এটি প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখা নিরাপদ।
মসুর ও খোসাসহ মুগ ডাল ৩৫ - ৫০ সপ্তাহে ৩-৪ দিন খাওয়া যেতে পারে। রান্নার আগে ৬-৮ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখা ভালো।
ছোলা ও রাজমা ৭৫ - ৯০ পিউরিন বেশি থাকায় ১০-১৫ দিনে একবার বা খুব সীমিত পরিমাণে খাওয়া উচিত।
সয়াবিন ও সয়াজাত খাবার ১২০ - ১৪০
ওজন নিয়ন্ত্রণ: ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যা কমাতে শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা বাধ্যতামূলক।
পর্যাপ্ত পানি: শরীর থেকে অতিরিক্ত ইউরিক অ্যাসিড বের করে দিতে প্রচুর পরিমাণে পানি পান করতে হবে।
খাদ্যাভ্যাস: মাত্রাতিরিক্ত প্রোটিন গ্রহণ কমিয়ে আঁশজাতীয় খাবার বাড়ানোর চেষ্টা করুন।
এই প্রতিবেদনটি কেবল সাধারণ সচেতনতার জন্য। ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা অনুযায়ী ব্যক্তিগত ডায়েট চার্ট তৈরি করতে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নিন।
এসআর
মন্তব্য করুন: