অনেকেই ওজন কমাতে বা পেশী তৈরিতে প্রোটিন খাওয়ার পরিমাণ বাড়িয়ে দেন, কিন্তু সাথে সাথে
শরীর ও হজমে নানা অস্বস্তি বোধ করেন। পুষ্টিবিদদের মতে, প্রোটিন নিজে সমস্যা নয়, বরং এটি গ্রহণের সময় সঠিক নিয়ম না মানাই বিপত্তির কারণ। উচ্চ প্রোটিন ডায়েটের ক্ষেত্রে নিচের ৩টি ভুল অবশ্যই এড়িয়ে চলা উচিত:
১. পর্যাপ্ত পানি পান না করা
প্রোটিন বেশি খেলে শরীরে ইউরিয়া নামক বর্জ্য পদার্থ বেশি তৈরি হয়, যা কিডনি শরীর থেকে বের করে দেয়।
সমস্যা: পানির পরিমাণ না বাড়ালে শরীর এই বর্জ্য পরিষ্কার করতে হিমশিম খায়। ফলে মাথাব্যথা, ক্লান্তি এবং প্রস্রাবের রঙ গাঢ় হওয়ার মতো সমস্যা দেখা দেয়।
সমাধান: প্রোটিন গ্রহণ বাড়ালে সেই অনুপাতে পানির পরিমাণও বাড়াতে হবে।
২. ফাইবার বা আঁশযুক্ত খাবার কমিয়ে দেওয়া
প্রোটিন শেক বা পাউডারে সাধারণত ফাইবার থাকে না। অনেকে শুধু প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার খেতে গিয়ে ফল ও সবজি বাদ দিয়ে দেন।
সমস্যা: ফাইবার এবং পানির অভাবে হজম প্রক্রিয়া ধীর হয়ে যায়, যা তীব্র কোষ্ঠকাঠিন্যের কারণ হতে পারে।
সমাধান: প্রোটিনের পাশাপাশি ডালে, গোটা শস্য এবং পর্যাপ্ত শাক-সবজি রাখতে হবে যেন অন্ত্র সচল থাকে।
৩. ফল ও শাক-সবজি এড়িয়ে চলা
প্রাণিজ প্রোটিন শরীরে অ্যাসিডের মাত্রা কিছুটা বাড়িয়ে দিতে পারে।
সমস্যা: ফল ও সবজিতে থাকা পটাশিয়াম এই অ্যাসিডকে নিউট্রাল (নিরপেক্ষ) করতে সাহায্য করে। পটাশিয়ামের অভাবে পেট ফাঁপা, পেশীতে টান (Cramp) বা রক্তচাপের ওঠানামা হতে পারে।
সমাধান: উচ্চ প্রোটিনযুক্ত খাবারের সাথে পটাশিয়াম সমৃদ্ধ ফল ও সবজি যুক্ত করে শরীরের ভারসাম্য বজায় রাখুন।
সারসংক্ষেপ: প্রোটিন কেন গুরুত্বপূর্ণ?
শরীরের টিস্যু মেরামতে সাহায্য করে।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বজায় রাখে।
পেশী তৈরি ও শক্তিশালী করতে অপরিহার্য।
এসআর
মন্তব্য করুন: