ক্যান্সার বিশ্বজুড়ে মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ। চিকিৎসকদের মতে, অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন ও
অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। তবে আমাদের হাতের কাছে থাকা কিছু খাবার প্রাকৃতিকভাবেই ক্যান্সার প্রতিরোধী বৈশিষ্ট্যে ভরপুর। ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিকের গবেষণার আলোকে এমন ৭টি খাবারের তালিকা নিচে দেওয়া হলো:
১. ক্রুসিফেরাস সবজি (ব্রকলি ও ফুলকপি)
ব্রকলি, ফুলকপি ও বাঁধাকপিতে থাকে সালফোরাফেন নামক একটি বিশেষ উপাদান। এটি শরীরকে বিষমুক্ত করতে সাহায্য করে এবং শরীরে টিউমার তৈরি হতে বাধা দেয়।
২. বেরি ও রঙিন ফল
স্ট্রবেরি, ব্লুবেরি বা সাইট্রাস জাতীয় ফল এবং ডালিম অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের ভাণ্ডার। এগুলো শরীরের কোষগুলোকে ফ্রি র্যাডিক্যালের ক্ষতি থেকে রক্ষা করে ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।
৩. টমেটো
টমেটোতে প্রচুর পরিমাণে লাইকোপিন থাকে। এটি একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা মূলত প্রোস্টেট এবং স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখে।
৪. হলুদ ও মসলা
হলুদে থাকা কারকিউমিন শরীরের প্রদাহ বা ইনফ্লামেশন কমাতে সাহায্য করে। এটি কোষের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি রোধে প্রাচীনকাল থেকেই অত্যন্ত কার্যকরী হিসেবে পরিচিত।
৫. রসুন ও পেঁয়াজ
এসব ভেষজ উপাদানে সালফার যৌগ থাকে যা সরাসরি ক্যান্সার কোষের বিরুদ্ধে লড়াই করে। এছাড়া এগুলো শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
৬. গ্রিন টি
ওজন কমানোর পাশাপাশি গ্রিন টি-তে থাকা ক্যাটেচিন নামক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্যান্সার কোষের বিভাজন এবং অস্বাভাবিক বৃদ্ধি রোধে সাহায্য করে।
৭. আস্ত শস্য ও ডাল
ফাইবার বা আঁশযুক্ত খাবার যেমন লাল চাল, আটা ও ডাল অন্ত্রের (কোলন) স্বাস্থ্য ভালো রাখে। এটি শরীরে হরমোনের ভারসাম্য বজায় রেখে ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়।
মনে রাখুন: ক্যান্সার প্রতিরোধে কেবল খাবার নয়, বরং নিয়মিত ব্যায়াম এবং ধূমপানমুক্ত জীবনযাপনও সমান গুরুত্বপূর্ণ।
এসআর
মন্তব্য করুন: