[email protected] সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
১১ ফাল্গুন ১৪৩২

অতিরিক্ত কুমড়ার বীজ খাওয়ার ৫টি ক্ষতিকর দিক

প্রতিদিনের বাংলা ডেস্ক

প্রকাশিত: ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ৯:২৬ এএম

কুমড়ার বীজ প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর ফ্যাট এবং খনিজ উপাদানে সমৃদ্ধ একটি সুপারফুড। এটি পরিমিত

 পরিমাণে খেলে স্বাস্থ্যের জন্য দারুণ উপকারী। তবে ছোট এবং সুস্বাদু হওয়ায় অনেকেই এটি অতিরিক্ত খেয়ে ফেলেন, যা শরীরের জন্য অস্বস্তির কারণ হতে পারে। অতিরিক্ত কুমড়ার বীজ খেলে যেসব সমস্যা হতে পারে, তা নিচে তুলে ধরা হলো:

​১. হজমে সমস্যা ও পেট ফাঁপা
​কুমড়ার বীজে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার বা আঁশ থাকে। আঁশ হজমের জন্য ভালো হলেও অতিরিক্ত গ্রহণ করলে অন্ত্রের ওপর চাপ সৃষ্টি করে। এর ফলে পেটে গ্যাস হওয়া, পেট ফাঁপা বা পেট ভার হয়ে থাকার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।

​২. পেটে ব্যথা ও ক্র্যাম্প
​এই বীজের বাইরের স্তরটি বেশ শক্ত এবং এতে থাকা চর্বি হজম হতে সময় লাগে। যারা একবারে অনেক বেশি পরিমাণে বীজ খেয়ে ফেলেন, তাদের পেটে ব্যথা বা ক্র্যাম্প হতে পারে। বিশেষ করে সংবেদনশীল পাকস্থলী যাদের, তাদের ক্ষেত্রে অ্যাসিডিটির সমস্যাও বাড়তে পারে।

​৩. কোষ্ঠকাঠিন্য বা ডায়রিয়া
​এতে থাকা দ্রবণীয় এবং অদ্রবণীয় ফাইবার মলত্যাগের স্বাভাবিক প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে পারে। পর্যাপ্ত পানি না খেয়ে বেশি বীজ খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে। আবার অতিরিক্ত ফাইবার অন্ত্রে দ্রুত চলাচল করলে পাতলা পায়খানা বা ডায়রিয়া হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

​৪. ওজন বৃদ্ধির ঝুঁকি
​কুমড়ার বীজ পুষ্টিকর হলেও এতে ক্যালোরির পরিমাণ বেশ উচ্চ। উদাহরণস্বরূপ, এক কাপ ভাজা বীজে প্রায় ২৮৫ ক্যালোরি থাকে। তাই নিয়মিত প্রয়োজনের অতিরিক্ত কুমড়ার বীজ খেলে ওজন বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

​৫. উচ্চ সোডিয়ামের প্রভাব
​বাজারে পাওয়া যায় এমন প্যাকেটজাত কুমড়ার বীজে প্রায়ই অতিরিক্ত লবণ মেশানো থাকে। বাড়তি লবণ বা সোডিয়াম শরীরে পানি জমিয়ে রাখা, রক্তচাপ বৃদ্ধি এবং অতিরিক্ত তৃষ্ণা পাওয়ার কারণ হতে পারে।

কুমড়ার বীজের সর্বোচ্চ উপকার পেতে প্রতিদিন এক মুঠো বা ৩০ গ্রামের বেশি না খাওয়াই ভালো।

এসআর

মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর