আমাদের প্রতিদিনের ছোট-বড় কাজের মূল চালিকাশক্তি হলো হাত ও কব্জি। তবে সঠিক
যত্নের অভাবে এই অঙ্গে ব্যথা হতে পারে, যা আমাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে স্থবির করে দেয়।
ব্যথার প্রধান কারণসমূহ:
অতিরিক্ত ব্যবহার: একটানা একই ধরনের কাজ (যেমন টাইপিং, সেলাই বা মাউস ব্যবহার) করা।
কারপাল টানেল সিন্ড্রোম: কব্জির ওপর অতিরিক্ত চাপে স্নায়ুর সমস্যা।
আর্থ্রাইটিস: জয়েন্টে প্রদাহ, ফোলাভাব বা শক্ত হয়ে যাওয়া।
আঘাত: হঠাৎ মচকে যাওয়া বা হাড়ের গঠনে পরিবর্তন।
মুক্তির কার্যকর উপায়:
১. বিশ্রাম: ব্যথা অনুভব হলে সংশ্লিষ্ট কাজ অন্তত ৫-৭ দিন বন্ধ রাখুন।
২. বরফ থেরাপি: ব্যথার প্রথম ৪৮-৭২ ঘণ্টায় ১৫-২০ মিনিট করে বরফ সেঁক দিলে ফোলা ও প্রদাহ দ্রুত কমে।
৩. সঠিক ভঙ্গি (Ergonomics): টাইপিংয়ের সময় কব্জি সোজা রাখা এবং হাতের নিচে আরামদায়ক প্যাড ব্যবহার করা।
৪. সাপোর্ট ব্যবহার: প্রয়োজনে কব্জিতে স্প্লিন্ট বা ব্যান্ডেজ ব্যবহার করে অতিরিক্ত নড়াচড়া নিয়ন্ত্রণ করা।
সহজ কিছু ফিজিওথেরাপি (ব্যায়াম):
কব্জি ঘোরানো: ধীরে ধীরে কব্জি দুই দিকে বৃত্তাকারে ঘোরানো।
প্রেয়ার স্ট্রেচ: দুই হাতের তালু বুকের সামনে নমস্কারের ভঙ্গিতে রেখে আস্তে আস্তে নিচে নামানো।
গ্রিপ এক্সারসাইজ: একটি নরম বল বা স্পঞ্জ হাত দিয়ে জোরে চেপে ধরে কয়েক সেকেন্ড রাখা।
যদি ব্যথা প্রচণ্ড হয়, হাত নাড়ানো না যায় কিংবা জয়েন্ট লাল হয়ে জ্বর আসে, তবে দেরি না করে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
এসআর
মন্তব্য করুন: