শীত এলে স্বাভাবিকভাবেই আমরা এমন খাবারের দিকে ঝুঁকি, যা
নিচে লেখাটির কপিরাইটমুক্ত শরীরকে উষ্ণ রাখে এবং শক্তি জোগায়। এই সময়ের একটি জনপ্রিয় ও উপকারী খাবার হলো গুড় ও চিনাবাদামের সংমিশ্রণ। স্বাদে যেমন ভালো, তেমনি পুষ্টিগুণেও সমৃদ্ধ এই সহজ খাবারটি ঠান্ডা আবহাওয়ায় শরীরকে মানিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর চর্বি ও প্রাকৃতিক খনিজে ভরপুর এই জুটি শীতকালে শরীরের জন্য এক ধরনের শক্তির ভাণ্ডার হিসেবে কাজ করে। কেন এই খাবারটি এত উপকারী, চলুন জেনে নেওয়া যাক—
১. প্রাকৃতিক শক্তির উৎস
চিনাবাদামে থাকা প্রোটিন ও ভালো ধরনের চর্বি শরীরে দীর্ঘস্থায়ী শক্তি দেয়। অন্যদিকে গুড়ের প্রাকৃতিক কার্বোহাইড্রেট ও আয়রন দ্রুত শক্তি জোগাতে সাহায্য করে। এই দুই উপাদান একসঙ্গে খেলে ক্লান্তি কমে এবং শীতের অলসতা দূর হয়ে শরীর থাকে চাঙা।
২. হজমশক্তি ও অন্ত্রের যত্নে সহায়ক
শীতকালে অনেকেরই হজমের সমস্যা দেখা দেয়। গুড় হজম প্রক্রিয়াকে সক্রিয় করতে এবং অন্ত্র পরিষ্কার রাখতে সহায়তা করে। ফাইবারসমৃদ্ধ চিনাবাদামের সঙ্গে মিশে এটি অন্ত্রের চলাচল স্বাভাবিক রাখে, কোষ্ঠকাঠিন্য ও পেট ফাঁপার সমস্যা কমায়। ফলে হজম হয় সহজ ও স্বস্তিদায়ক।
৩. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে
গুড় ও চিনাবাদাম—দুটিই গুরুত্বপূর্ণ খনিজ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ। গুড়ে থাকা জিঙ্ক ও সেলেনিয়াম শরীরের প্রতিরোধক্ষমতা বাড়াতে কার্যকর ভূমিকা রাখে। নিয়মিত পরিমাণে এই খাবার খেলে শীতকালীন সর্দি-কাশি ও সংক্রমণের ঝুঁকি কিছুটা কমতে পারে।
৪. শরীরকে ভেতর থেকে উষ্ণ রাখে
গুড়কে স্বভাবগতভাবে উষ্ণ খাদ্য হিসেবে ধরা হয়। চিনাবাদামের চর্বির সঙ্গে মিলিত হয়ে এটি শরীরের ভেতরের তাপমাত্রা ধরে রাখতে সাহায্য করে। ঠান্ডা দিনে রক্ত সঞ্চালন ভালো রাখতেও এই খাবার উপকারী।
৫. হৃদযন্ত্রের জন্য উপকারী পুষ্টি
চিনাবাদামে থাকা মনোআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। আর গুড় পরিশোধিত চিনির তুলনায় স্বাস্থ্যসম্মত বিকল্প। এই দুইটি একসঙ্গে খেলে শরীর পায় প্রোটিন, ফাইবার, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম ও নানা ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্য সহায়ক।
এসআর
মন্তব্য করুন: