যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার (ইউএসএফ) বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জামিল লিমনের মরদেহ উদ্ধারের পর এই হত্যাকাণ্ডের কারণ নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। এই ঘটনায় তাদের রুমমেট হিশাম আবুগারবিয়েহকে
গ্রেপ্তার করা হলেও অন্য শিক্ষার্থী নাহিদা বৃষ্টির মরদেহ এখনো পাওয়া যায়নি।
মরদেহ উদ্ধার: শুক্রবার সকালে হাওয়ার্ড ফ্র্যাংকল্যান্ড সেতু থেকে ডক্টরাল শিক্ষার্থী জামিল লিমনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তবে রাসায়নিক প্রকৌশলের শিক্ষার্থী নাহিদা বৃষ্টি এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।
অভিযুক্তের গ্রেপ্তার: লিমনের রুমমেট আবুগারবিয়েহকে তার বাসা থেকে সোয়াট টিমের সহায়তায় গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। জেলের রেকর্ড অনুযায়ী, তার বিরুদ্ধে আগে থেকেই ঘরোয়া সহিংসতা ও চুরির মামলা ছিল।
হত্যাকাণ্ডের সম্ভাব্য কারণ: এফবিআই-এর সাবেক বিশেষ এজেন্ট ড. ব্রায়ানা ফক্সের মতে, এটি কোনো পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড নয়, বরং হঠাত কোনো রাগের মাথায় (Crime of passion) ঘটানো হয়েছে। তিনি ধারণা করছেন— অর্থ, ঈর্ষা বা ছোট কোনো ঝগড়া থেকেই এই নৃশংসতার সূত্রপাত হতে পারে।
হিলসবরো কাউন্টি শেরিফ চ্যাড ক্রোনিস্টার এই ঘটনাকে অত্যন্ত উদ্বেগজনক ও হৃদয়বিদারক বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, লিমনের মরদেহ পাওয়া গেলেও বৃষ্টির সন্ধানে মেরিন ও ডাইভ দল তল্লাশি অব্যাহত রেখেছে। দোষীদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির নিশ্চয়তা দিয়েছেন তিনি।
উল্লেখ্য, গত ১৬ এপ্রিল থেকে এই দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নিখোঁজ ছিলেন। জামিল লিমনের অকাল মৃত্যুতে এবং বৃষ্টির নিখোঁজ সংবাদে স্থানীয় বাংলাদেশি কমিউনিটি ও সহপাঠীদের মাঝে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
এসআর