বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের প্রধান উৎসব বিঝু, বৈসু, সাংগ্রাই, চাংক্রান ও সাংক্রান উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ে ছুটি ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের আদিবাসী শিক্ষার্থীরা।
এ বিষয়ে উপাচার্যের কাছে একটি স্মারকলিপি জমা দিয়েছেন তারা।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) বিকেলে উপাচার্যের দপ্তরে গিয়ে আদিবাসী ছাত্র সংসদের প্রতিনিধিরা এ স্মারকলিপি প্রদান করেন।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, এসব উৎসব আদিবাসী জনগোষ্ঠীর ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের পাশাপাশি তাদের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। শুধু নববর্ষ উদযাপন নয়, বরং তাদের ঐতিহ্য ও পরিচয়ের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত এই আয়োজনগুলো।
এছাড়া তারা জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ক্যালেন্ডারে বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে ছুটি থাকলেও আদিবাসী জনগোষ্ঠীর গুরুত্বপূর্ণ উৎসবগুলো অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। এতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত আদিবাসী শিক্ষার্থীরা পূর্ণাঙ্গভাবে উৎসব পালন করতে পারছেন না।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন বলেন, চলতি শিক্ষাবর্ষের ক্যালেন্ডার ইতোমধ্যে নির্ধারিত হওয়ায় নতুন করে ছুটি যুক্ত করা সম্ভব নয়। তবে আগামী বছরের ক্যালেন্ডার প্রণয়নের সময় বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হতে পারে।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ হায়দার আলী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে জানান, বর্তমানে তাদের জন্য তিন দিনের ঐচ্ছিক ছুটির সুযোগ রয়েছে এবং তারা চাইলে স্মারকলিপির মাধ্যমে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থাপন করতে পারে।
এসআর