দেশের উৎপাদনশীল খাত ও দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগে গতি আনতে 'লং-টার্ম ফাইন্যান্সিং ফ্যাসিলিটি' (বিবি-এলটিএফএফ) নীতিমালায় বড় পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) জারিকৃত এক
সার্কুলারে ঋণের সুদহার কমিয়ে নতুন কাঠামো নির্ধারণ করা হয়েছে, যা ১ মে থেকে কার্যকর হবে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক তাদের 'ক্যামেলস' (CAMELS) রেটিং অনুযায়ী ব্যাংকগুলোর জন্য সুদের হার পুনর্নির্ধারণ করেছে:
রেটিং-১ প্রাপ্ত ব্যাংক: ৫ বছর মেয়াদে ১%, ৭ বছর মেয়াদে ১.২৫% এবং ১০ বছর মেয়াদে ১.৫০% সুদে তহবিল পাবে।
রেটিং-২ প্রাপ্ত ব্যাংক: ৫ বছর মেয়াদে ১.২৫%, ৭ বছর মেয়াদে ১.৫০% এবং ১০ বছর মেয়াদে ১.৭৫% সুদে তহবিল পাবে।
রেটিং-৩ প্রাপ্ত ব্যাংক: ৫ বছর মেয়াদে ১.৫০%, ৭ বছর মেয়াদে ১.৭৫% এবং ১০ বছর মেয়াদে ২% সুদে তহবিল পাবে।
সাশ্রয়ী ঋণ: ব্যাংকগুলো তাদের তহবিল সংগ্রহের ব্যয়ের সঙ্গে সর্বোচ্চ ২% থেকে ৩% মার্জিন যোগ করে গ্রাহক পর্যায়ে সুদের হার নির্ধারণ করতে পারবে। এতে উদ্যোক্তারা আগের চেয়ে কম সুদে ঋণ পাবেন।
ব্যক্তিগত ঋণের সীমা: একজন একক ঋণগ্রহীতা একটি ব্যাংকের মাধ্যমে সর্বোচ্চ ১০ মিলিয়ন (১ কোটি) মার্কিন ডলার পর্যন্ত ঋণ নিতে পারবেন।
যৌথ ঋণের সীমা: সিন্ডিকেটেড অর্থায়নের (একাধিক ব্যাংকের মাধ্যমে) ক্ষেত্রে ঋণের সর্বোচ্চ সীমা হবে ২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, বাজারের চাহিদা এবং বর্তমান আর্থিক পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়ন সুবিধাকে আরও আকর্ষণীয় করতে এই সংশোধন আনা হয়েছে। বিদ্যমান এবং নতুন—উভয় ধরনের ঋণের ক্ষেত্রেই এই সুবিধা প্রযোজ্য হবে।
এসআর