বাসাবাড়ি থেকে বর্জ্য সংগ্রহে নির্ধারিত মাসিক ১০০ টাকার বেশি আদায় এবং নিয়মিত ময়লা অপসারণে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বাতিলের হুঁশিয়ারি দিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)।
সোমবার রাজধানীর নগর ভবনের অডিটরিয়ামে বর্জ্য সংগ্রহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এ সতর্কবার্তা দেন ডিএসসিসি প্রশাসক মো. আবদুস সালাম।
সভায় ঈদুল আজহা সামনে রেখে কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণ এবং নগর পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।
সভায় প্রশাসক বলেন, কিছু প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত হারের অতিরিক্ত টাকা আদায় করছে এবং প্রতিদিনের ময়লা প্রতিদিন সরাচ্ছে না—এ ধরনের অনিয়ম কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।
তিনি জানান, প্রতিটি বাসা বা ফ্ল্যাট থেকে সর্বোচ্চ ১০০ টাকা পর্যন্ত বর্জ্য সংগ্রহ ফি নেওয়া যাবে এবং তা অবশ্যই অনুমোদিত রশিদের মাধ্যমে আদায় করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে তাদের লাইসেন্সও বাতিল করা হবে।
ডিএসসিসি প্রশাসক নগরীর কোথাও যেন ময়লা জমে না থাকে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের কঠোর নির্দেশনা দেন। তিনি বলেন, “দিনের বর্জ্য দিনেই অপসারণ নিশ্চিত করতে হবে।
ঈদুল আজহা উপলক্ষে বিশেষ প্রস্তুতির কথা জানিয়ে তিনি বলেন, কোরবানির তিন দিন পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে নিয়োজিত কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী ছুটিতে থাকতে পারবেন না। প্রতিটি ওয়ার্ড সম্পূর্ণ পরিষ্কার না হওয়া পর্যন্ত মাঠপর্যায়ে কাজ চালিয়ে যেতে হবে।
একই সঙ্গে পর্যাপ্ত ভ্যান ও জনবল রাখার নির্দেশও দেওয়া হয়।
সভায় নাগরিকদের সঙ্গে ভালো ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের নির্ধারিত পোশাকে দায়িত্ব পালনের বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়।
এছাড়া কেউ বাসাবাড়ির ময়লা রাস্তাঘাট বা খালে ফেললে তাদের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনারও সতর্কতা দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে ডিএসসিসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বর্জ্য সংগ্রহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
এসআর