যশোর পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডে আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে কাউন্সিলর পদে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন সমাজসেবী ও ব্যবসায়ী ফকরুল বিশ্বাস।
স্থানীয়দের কাছে তিনি মানবিক কর্মকাণ্ড ও জনসম্পৃক্ততার জন্য পরিচিত।
১৯৭৬ সালের ১৮ অক্টোবর জন্ম নেওয়া ফকরুল বিশ্বাস শহরের ষষ্টিতলা পিটিআই রোড এলাকার বাসিন্দা। তাঁর পিতা মৃত আবু আনছার এবং মাতা আছমা বেগম।
তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র রাজনীতির সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত। দলীয় কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকার পাশাপাশি অতীতে বিভিন্ন রাজনৈতিক মামলার মুখোমুখিও হয়েছেন তিনি।
পেশাগতভাবে তিনি একজন ব্যবসায়ী। যশোর পৌরসভার গুরুত্বপূর্ণ ওয়ার্ডগুলোর একটি হিসেবে পরিচিত ৬নং ওয়ার্ডে প্রায় ১২ হাজার ৬৫৬ জন ভোটার রয়েছে।
১২টি মহল্লা নিয়ে গঠিত এই ওয়ার্ডে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান অবস্থিত। এর মধ্যে রয়েছে বিদ্যুৎ অফিস, ওজোপাডিকো, পিটিআই, জনস্বাস্থ্য বিভাগের জেলা কার্যালয়, সোনালী ব্যাংকের কর্পোরেট শাখা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কার্যালয়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, গণপূর্ত বিভাগ, ফায়ার সার্ভিস, রেলওয়ে জংশনসহ নানা গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা।
এছাড়া ঐতিহ্যবাহী পাবলিক লাইব্রেরি, জেলা পরিষদ, সংবাদপত্র অফিস, প্রেসক্লাব, বিপণিবিতান এবং অন্যান্য বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান এই ওয়ার্ডের গুরুত্ব বাড়িয়েছে। ফলে নাগরিক সেবার দিক থেকে এলাকাটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে বিবেচিত।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, ফকরুল বিশ্বাস দীর্ঘদিন ধরে মানুষের পাশে থেকে কাজ করে আসছেন। ধনী-গরিব ভেদাভেদ না করে সমস্যা নিয়ে কেউ এলে সহায়তার চেষ্টা করেন।
প্রতিদিন গণসংযোগের মাধ্যমে এলাকাবাসীর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন এবং তাদের সুখ-দুঃখে পাশে থাকার চেষ্টা করছেন।
তিনি শিক্ষা ও ধর্মীয় কর্মকাণ্ডের সঙ্গেও যুক্ত রয়েছেন। উপশহর ডিগ্রি কলেজ এবং পিটিআই জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সঙ্গে সম্পৃক্ততার কথাও জানা গেছে।
স্থানীয়দের একাংশের মতে, তার মিশুক স্বভাব ও সামাজিক সম্পৃক্ততা তাকে একজন সম্ভাব্য জনপ্রতিনিধি হিসেবে এগিয়ে রাখছে। তিনি নির্বাচিত হলে আরও বড় পরিসরে জনসেবা করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
এদিকে, প্রয়াত বিএনপি নেতা ও সাবেক মন্ত্রী তরিকুল ইসলাম একসময় তাকে ভবিষ্যতের কাউন্সিলর হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন বলে জানা যায়।
সেই অনুপ্রেরণায় জনসেবামূলক কর্মকাণ্ড আরও জোরদার করেছেন ফকরুল বিশ্বাস।
আসন্ন নির্বাচনে অংশ নিতে তিনি ইতোমধ্যে প্রস্তুতি শুরু করেছেন এবং এলাকাবাসীর দোয়া ও সমর্থন কামনা করেছেন।
এসআর