বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন (বিওএ)-এর
নির্বাচন আজ রোববার কক্সবাজারে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এজিএম শেষে ভোটগ্রহণ হয়। মহাসচিব, সহ-সভাপতি, সদস্য ও কোষাধ্যক্ষসহ বেশিরভাগ পদেই প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় সবাই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। কেবল উপ-মহাসচিবের দুটি অলিম্পিক ডিসিপ্লিনভিত্তিক পদে তিনজন প্রার্থী থাকায় সেখানেই ভোট হয়।
৯২ জন কাউন্সিলরের মধ্যে এজিএমে উপস্থিত ছিলেন ৭৬ জন। ভোটাভুটিতে সাঁতার ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান শাহীন সর্বোচ্চ ৭০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। অপর নির্বাচিত প্রার্থী বক্সিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক এমএ কুদ্দুস পান ৬৭ ভোট। আরচ্যারি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক তানভীর আহমেদ আলো পিছিয়ে পড়ে মাত্র ১৯ ভোট পান।
বাংলাদেশ সাধারণত ওয়াইল্ড কার্ডেই অলিম্পিকে অংশ নেয়। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সরাসরি যোগ্যতা অর্জনের নজিরও রয়েছে—২০১৬ সালে গলফার সিদ্দিক, ২০২০ টোকিওতে রোমান সানা এবং ২০২৪ প্যারিস অলিম্পিকে সাগর ইসলাম সরাসরি কোটা অর্জন করেন। প্যারা অলিম্পিকেও ২০২৪ সালে ঝুমা আক্তার আরচ্যারিতে সরাসরি খেলার সুযোগ পান।
বাংলাদেশের সফল ডিসিপ্লিনগুলোর অন্যতম শুটিং। অতীতে বিওএ কমিটিতে শুটিং ফেডারেশনের প্রতিনিধিত্ব ছিল। এবার সেই জায়গায় কেউ নেই—তবে অলিম্পিয়ান কোটায় শুটার আব্দুল্লাহ হেল বাকী অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। সম্ভাবনাময় ডিসিপ্লিন আরচ্যারিও এবার কমিটিতে জায়গা পায়নি। ক্রীড়া অঙ্গনে শোনা যাচ্ছিল, শাহীন ও কুদ্দুস নির্বাচিত হবেন—কারণ সাঁতার বড় ডিসিপ্লিন এবং দুজনই অভিজ্ঞ সংগঠক। তানভীর আহমেদকে তুলনামূলকভাবে অপ্রতিষ্ঠিত সংগঠক হিসেবে দেখা হয় এবং বিভিন্ন বিরোধের মধ্যেই তিনি সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিলেন।
বিওএ-র নতুন কমিটি গঠনে নেতৃত্ব দিয়েছেন মহাসচিব জোবায়েদুর রহমান রানা। উপ-মহাসচিব পদে অলিম্পিক ডিসিপ্লিনভিত্তিক তিন প্রার্থী থাকলেও গঠনতন্ত্র অনুযায়ী দুটি পদই নির্ধারিত। প্রথমে চারজনের নাম প্রকাশ করলেও চূড়ান্ত তালিকায় দেখা যায়—বিওএ পেট্রোন কোটায় বিসিবি পরিচালক আমজাদ হোসেন একমাত্র প্রার্থী হিসেবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় উপ-মহাসচিব (জেনারেল) নির্বাচিত হন। বাকি দুটি পদে ভোট হয়েছে। প্রাথমিক ও চূড়ান্ত তালিকার ভিন্নতা নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা কোনো মন্তব্য দেয়নি।
এসআর
মন্তব্য করুন: