যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস অঙ্গরাজ্যের গিলেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে ১০ জনের দল নিয়েও ব্রাজিলকে ২–১ গোলে হারিয়েছে ফ্রান্স। ম্যাচজুড়ে শৃঙ্খলাবদ্ধ পারফরম্যান্স ও কার্যকর আক্রমণে জয় তুলে নেয় দিদিয়ের দেশমের দল।
প্রথমার্ধে শুরু থেকেই দুই দলই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেললেও গোলের দেখা পায় ফ্রান্স। ম্যাচের ৩২তম মিনিটে ওসমান দেম্বেলের বাড়ানো পাস থেকে একক প্রচেষ্টায় গোল করে দলকে এগিয়ে দেন কিলিয়ান এম্বাপে। ঠান্ডা মাথায় ব্রাজিল গোলরক্ষক এদেরসনের ওপর দিয়ে বল তুলে জালে জড়ান তিনি। এটি ছিল তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ৫৬তম গোল, যা তাকে ফ্রান্সের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ডের কাছাকাছি নিয়ে গেছে।
দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের মোড় ঘুরে যায় ৫৫তম মিনিটে। ব্রাজিলের ওয়েসলিকে ফাউল করে সরাসরি লাল কার্ড দেখেন ডিউট মেক্যানো। ফলে ১০ জনে নেমে আসে ফ্রান্স। তবে সংখ্যাগতভাবে পিছিয়ে পড়লেও ভেঙে পড়েনি ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নরা।
বরং ৬৫তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে ফ্রান্স। বক্সের ভেতরে চমৎকার চিপ শটে গোল করেন হুগো ইকিটিকে। এরপর ম্যাচে ফেরার চেষ্টা চালায় ব্রাজিল। ৭৮তম মিনিটে লুইজ হেনরিকের নিচু ক্রস থেকে গোল করে ব্যবধান কমান ব্রেমার।
শেষদিকে ব্রাজিল চাপ বাড়ালেও সমতায় ফেরার মতো সুযোগ তৈরি করতে পারেনি। কোচ কার্লো আনেচেলেত্তি এর দল বল দখলে এগিয়ে থাকলেও আক্রমণে কার্যকারিতা দেখাতে ব্যর্থ হয়।
ইনজুরির কারণে বিরতির পর মাঠ ছাড়েন রফিনহা, যা ব্রাজিলের আক্রমণভাগে প্রভাব ফেলে। এছাড়া ফিটনেস সমস্যার কারণে দলের প্রধান তারকা নেইমার এই ম্যাচে ছিলেন না।
সব মিলিয়ে, একজন কম নিয়েও ফ্রান্সের এই জয় তাদের ট্যাকটিক্যাল শক্তি ও মানসিক দৃঢ়তার পরিচয় দিয়েছে। অন্যদিকে, সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হওয়ায় হতাশা নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয়েছে ব্রাজিলকে।
এসআর
মন্তব্য করুন: