টানা ১২ ম্যাচে অপরাজিত থেকে সুপার এইট পর্বে নামা স্বাগতিক ভারত বড় ধাক্কা খেলো দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে।
আহমেদাবাদে ১৮৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১১১ রানে অলআউট হয়ে ৭৬ রানের বড় ব্যবধানে হারে ভারত। রানের হিসাবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এটিই ভারতের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় পরাজয়।
এর আগে ২০১০ সালের বিশ্বকাপে ব্রিজটাউনে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৪৯ রানের হার ছিল তাদের সবচেয়ে বড়।
পাশাপাশি ২০২২ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের কাছে হারের পর এই প্রথম কোনো বহুজাতিক টুর্নামেন্টে পরাজয়ের মুখ দেখল ভারত।
মাঝের সময়ে ২২ ম্যাচের ২১টিতে জয় পেয়েছিল তারা, একটি ম্যাচ বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত হয়।
শুরুর ধাক্কায় ভেঙে পড়ে ভারত- রান তাড়ায় নেমে প্রথম দুই ওভারেই দুই ওপেনার ঈশান কিষান ও তিলক ভার্মাকে হারিয়ে চাপে পড়ে ভারত। স্কোরবোর্ডে তখন মাত্র ৫ রান। এরপর দ্রুতই ফেরেন অভিষেক শর্মা, ওয়াশিংটন সুন্দর ও অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। ৫১ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে কার্যত ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ হারায় স্বাগতিকরা।
ষষ্ঠ উইকেটে শিভম দুবে ও হার্দিক পান্ডিয়া ৩৫ রানের জুটি গড়ে কিছুটা লড়াইয়ের আভাস দেন। কিন্তু প্রয়োজনীয় রান রেট বেড়ে যাওয়ায় সেই প্রতিরোধ বেশিক্ষণ টেকেনি।
মহারাজের এক ওভারে ম্যাচের মোড়- ইনিংসের ১৫তম ওভারে স্পিনার কেসাব মেহরাজ পরপর তিন উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচ একতরফা করে দেন। ওই ওভারেই ফেরেন পান্ডিয়া, রিংকু সিং ও আর্শদীপ সিং। এরপর আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি ভারত।
৮৮ রানে ৮ উইকেট পড়ে যাওয়ার পর শিভম দুবে একপ্রকার একাই লড়াই চালিয়ে যান।
৩টি ছক্কা ও একটি চারে ৩৭ বলে ৪২ রান করেন তিনি, যা ছিল দলের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত স্কোর।
শেষদিকে পেসার মার্কো জনসেন দুই বলে দুই উইকেট তুলে ভারতের ইনিংস গুটিয়ে দেন ১১১ রানে।
ফলে ৭৬ রানের বড় জয় দিয়ে সুপার এইট অভিযান শুরু করে দক্ষিণ আফ্রিকা।
আপনি চাইলে এটিকে আরও সংক্ষিপ্ত ম্যাচ রিপোর্ট বা বিশ্লেষণধর্মী সংস্করণেও সাজিয়ে দিতে পারি।
এসআর