বাংলাদেশ ক্রিকেটে আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে সাকিব আল হাসান।
গত মাসের শেষ দিকে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) জানায়, সাবেক বিশ্বসেরা অলরাউন্ডারকে জাতীয় দলে ফেরানোর বিষয়ে ইতিবাচক ভাবনা রয়েছে। নির্বাচকরা জানিয়েছেন, দেশে বা বিদেশে—যে ভেন্যুতেই হোক, উপযুক্ত বিবেচিত হলে আসন্ন সিরিজগুলোতে তাকে দলে নেওয়া হতে পারে।
এদিকে দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটেও নতুন আলোচনা তৈরি হয়েছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। সরকার গঠনের প্রাক্কালে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এক সাক্ষাৎকারে বলেন, সাকিবের জাতীয় দলে ফেরা তার পারফরম্যান্স ও ক্রিকেটে সক্রিয় থাকার ওপর নির্ভর করবে।
তিনি আরও মন্তব্য করেন, খেলাধুলার সঙ্গে রাজনীতি না মেশানোই উচিত এবং যোগ্য খেলোয়াড় অবশ্যই সুযোগ পাবে।
এই প্রেক্ষাপটে সাকিব নিজেও মুখ খুলেছেন। গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, ভবিষ্যৎ নিয়ে এখনই দূর পরিকল্পনা না করে সামনের দিনগুলোতে কী হয়, সেটি দেখার অপেক্ষায় আছেন তিনি।
তবে তার ঘনিষ্ঠ মহলের দাবি, ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপকে সামনে রেখেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরার পরিকল্পনা করছেন এই অলরাউন্ডার। সে ক্ষেত্রে টেস্ট ও টি-২০ ফরম্যাট থেকে সরে দাঁড়িয়ে কেবল ওয়ানডে ক্রিকেটে মনোযোগ দেওয়ার সম্ভাবনার কথাও শোনা যাচ্ছে।
সব মিলিয়ে, সাকিবের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের পরবর্তী অধ্যায় নিয়ে কৌতূহল ও আলোচনা এখন
এসআর
মন্তব্য করুন: