ভারতে অনুষ্ঠিতব্য টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ না নেওয়ায় জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা যেন প্রতিযোগিতার বাইরে না থাকে, সে লক্ষ্যে নতুন একটি টুর্নামেন্ট আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
একই সঙ্গে দেশের ক্রিকেট ব্যবস্থার দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনা নতুন করে সাজানোর কাজও শুরু করেছে সংস্থাটি।
এই উদ্দেশ্যে মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বিসিবির একটি গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় তৃণমূল ক্রিকেট শক্তিশালীকরণ, বয়সভিত্তিক কাঠামো সংস্কার, কোচিং ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং খেলোয়াড় বিকাশকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিসিবির পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে সভার সিদ্ধান্তগুলো জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, তৃণমূল ও বয়সভিত্তিক ক্রিকেটের বর্তমান কাঠামো পর্যালোচনা করে এর কার্যকারিতা মূল্যায়ন করা হয়েছে। বিশেষ করে বয়সভিত্তিক দলে খেলোয়াড় বাছাই প্রক্রিয়া এবং বয়স যাচাই ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ ও নির্ভরযোগ্য করতে নতুনভাবে ভাবার প্রয়োজনীয়তার কথা উঠে আসে।
সভায় সফলভাবে খেলোয়াড় তৈরি করতে পারা কোচদের জন্য প্রণোদনা চালুর প্রস্তাব দেওয়া হয়। পাশাপাশি দেশজুড়ে ঘরোয়া ক্রিকেটে অংশ নেওয়া সব খেলোয়াড়ের তথ্য নিয়ে একটি কেন্দ্রীয় ডাটাবেজ তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়, যা ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও পারফরম্যান্স বিশ্লেষণে সহায়ক হবে।
এ ছাড়া বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের কোচদের বেতন কাঠামো, পেশাগত উন্নয়ন এবং সুস্পষ্ট ক্যারিয়ার পথ নির্ধারণ নিয়েও আলোচনা হয়। কোচদের প্রশিক্ষণ পদ্ধতি ও গেম এডুকেশন কারিকুলাম হালনাগাদ করতে একটি কারিকুলাম রিভিউ কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বিসিবি আরও জানায়, অনূর্ধ্ব-২৩ ক্রিকেটারদের জন্য একটি জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমি প্রোগ্রাম চালুর প্রস্তাব এসেছে, যা দেশের সামগ্রিক ক্রিকেট কাঠামোর গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হবে।
সভায় বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলসহ বোর্ড পরিচালক, নির্বাচক, কোচিং স্টাফ এবং জাতীয় দলের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এসআর
মন্তব্য করুন: