মিরপুরের শের-ই বাংলা স্টেডিয়ামে বিপিএলের জমজমাট ফাইনালে চট্টগ্রাম রয়্যালসকে ৬৩
রানের বড় ব্যবধানে হারিয়ে শিরোপা নিজেদের করে নিয়েছে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। এটি রাজশাহীর ফ্র্যাঞ্চাইজি ইতিহাসের দ্বিতীয় শিরোপা। তানজিদ হাসান তামিমের বিধ্বংসী সেঞ্চুরিতে ভর করে নাজমুল হোসেন শান্তর দল এই গৌরব অর্জন করে।
ম্যাচের হাইলাইটস:
রাজশাহীর ব্যাটিং: টস হেরে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে ২০ ওভারে ১৭৪ রান সংগ্রহ করে রাজশাহী।
ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম মাত্র ৬২ বলে ১০০ রানের এক মহাকাব্যিক ইনিংস খেলেন। বিপিএল ফাইনালের ইতিহাসে এটি তৃতীয় সেঞ্চুরি (গেইল ও তামিম ইকবালের পর)। ওপেনিং জুটিতে ফারহান সাহিবজাদার সঙ্গে আসে ৮৩ রান।
চট্টগ্রামের বোলিং: চট্টগ্রামের পক্ষে শরিফুল ইসলাম ও মুকিদুল ইসলাম ২টি করে উইকেট শিকার করেন।
রান তাড়া ও ব্যাটিং বিপর্যয়: ১৭৫ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরুতেই খেই হারিয়ে ফেলে চট্টগ্রাম। দলীয় ১৮ রানেই দুই উইকেট হারানোর পর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পড়তে থাকে।
শেষ পর্যন্ত ১১১ রানেই গুটিয়ে যায় চট্টগ্রামের ইনিংস। দলের পক্ষে মির্জা বেগ সর্বোচ্চ ৩৯ রান করলেও তা জয়ের জন্য যথেষ্ট ছিল না।
বিপিএলের সফলতম দলগুলোর পরিসংখ্যান:
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স: ৪ বার (সর্বোচ্চ)
ঢাকা: ৩ বার
রাজশাহী ওয়ারিয়র্স: ২ বার (২০১৯-২০ মৌসুমে 'রাজশাহী রয়্যালস' নামে প্রথম জিতেছিল)
বরিশাল: ২ বার
রংপুর রাইডার্স: ১ বার
বিপিএল ২০২৬ ফ্যাক্ট: তানজিদ তামিমের সেঞ্চুরিটি এবারের আসরের চতুর্থ সেঞ্চুরি হিসেবে রেকর্ড বইয়ে জায়গা করে নিয়েছে।
এসআর
মন্তব্য করুন: