বিশ্বকাপ ফুটবল মানেই গ্যালারিভর্তি দর্শক আর টিকিট নিয়ে তীব্র প্রতিযোগিতা।
বিশ্বের কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমী মাঠে বসে খেলা দেখার স্বপ্ন দেখেন।
সেই চাহিদার কথা বিবেচনায় রেখে ফিফা অনলাইনের পাশাপাশি তাদের সদস্যভুক্ত ফুটবল ফেডারেশনগুলোকেও সীমিত সংখ্যক টিকিট কেনার সুযোগ দিয়ে থাকে।
এই নিয়ম অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) সর্বোচ্চ ৩৩০টি টিকিট সংগ্রহ করতে পারবে। জাতীয় দল কমিটির বৈঠক শেষে বাফুফের সিনিয়র সহ-সভাপতি ইমরুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, বাংলাদেশ যেহেতু নন-প্লেয়িং কান্ট্রি, তাই নির্ধারিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত টিকিট পাওয়ার সুযোগ নেই।
টিকিটের জন্য আবেদন গ্রহণ শুরু হবে আগামীকাল থেকে এবং চলবে ২২ জানুয়ারি পর্যন্ত। আবেদনকারীদের ৫০০ টাকা ফি দিয়ে ফরম সংগ্রহ করতে হবে এবং নির্ধারিত টিকিটের মূল্য আগেই পরিশোধ করতে হবে।
এ সংক্রান্ত বিস্তারিত নির্দেশনা শিগগিরই প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হবে।
প্রতিবারের মতো এবারও বাফুফের বরাদ্দকৃত টিকিটের জন্য আবেদনকারীর সংখ্যা অনেক বেশি হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সাধারণত ফেডারেশন নির্দিষ্ট কিছু মানদণ্ড অনুসরণ করে টিকিট বণ্টন করে থাকে। অতীতে কাজী সালাউদ্দিনের সভাপতিত্বকালে এ উদ্দেশ্যে আলাদা কমিটি গঠন করা হয়েছিল।
তবে এবার নির্বাহী কমিটির সদস্যরা সভাপতির সরাসরি তত্ত্বাবধানে টিকিট বণ্টনের প্রস্তাব দিয়েছেন।
বিশ্বকাপ টিকিট বণ্টনে সাধারণত বাফুফের নির্বাহী কমিটির সদস্য, ক্লাব কর্মকর্তা, সাবেক ফুটবলার ও সংগঠকরা অগ্রাধিকার পেয়ে থাকেন। এ ছাড়া স্পনসর, সরকারি কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, ব্যবসায়ীসহ সমাজের বিভিন্ন পর্যায়ের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের কাছ থেকেও টিকিটের চাহিদা আসে।
মাত্র ৩৩০টি টিকিট নিয়ে নতুন সভাপতি তাবিথ আউয়ালের কমিটি কীভাবে ভারসাম্য বজায় রেখে বণ্টন করে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।
উল্লেখ্য, এবারের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী দলের সংখ্যা ও ম্যাচ ভেন্যু বাড়ায় আগের আসরের তুলনায় বাফুফে কিছুটা বেশি টিকিটের সুযোগ পাচ্ছে।
এসআর
মন্তব্য করুন: