ঈদের নামাজ দুই রাকাত।
নিয়ত করে তাকবিরে তাহরিমা বলে নামাজ শুরু করতে হবে এবং এরপর ছানা পড়তে হবে। ছানা পড়ার পর তিনবার ‘আল্লাহু আকবার’ বলে তাকবির দিতে হবে।
প্রথম দুই তাকবির দেওয়ার সময় উভয় হাত কানের লতি পর্যন্ত উঠিয়ে হাত না বেঁধে ছেড়ে দিতে হবে।
তৃতীয় তাকবির দেওয়ার সময় কানের লতি পর্যন্ত হাত উঠিয়ে বেঁধে নিতে হবে। এরপর সূরা-ফাতিহা ও অন্য একটি সূরা পড়ে রুকুতে যেতে হবে।
দ্বিতীয় রাকাতে দাঁড়িয়ে সূরা-ফাতিহা ও অন্য একটি সূরা পড়ার পর রুকুতে যাওয়ার পূর্বে তিনটি তাকবির দিতে হবে।
তবে তৃতীয় তাকবির দেওয়ার সময় হাত না বেঁধে ছেড়ে দিতে হবে। এরপর চতুর্থ তাকবির বলে রুকুতে যেতে হবে। তারপর অন্যান্য নামাজের মতো যথারীতি নামাজ সম্পন্ন করতে হবে।
ঈদের নামাজের কেরাত
ঈদের নামাজে প্রথম রাকাতে ‘সূরা আ‘লা’ এবং দ্বিতীয় রাকাতে ‘সূরা গাশিয়াহ’ পড়া সুন্নত। এছাড়া, প্রথম রাকাতে ‘সূরা কফ’ এবং দ্বিতীয় রাকাতে ‘সূরা কমার’ পড়ার সুন্নত আমল রয়েছে।
হাদিস শরীফে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদের নামাজে এ সূরাগুলো তেলাওয়াত করতেন। তবে অন্য কোনো সূরাও পড়া যেতে পারে।
জুমার নামাজের মতো ঈদের নামাজের কেরাতও উচ্চৈঃস্বরে পড়া ওয়াজিব। আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদ ও ইস্তিসকার নামাজে কেরাত উচ্চৈঃস্বরে পড়তেন।
তাই ঈদের নামাজে ইমাম উভয় রাকাতেই কেরাত উচ্চৈঃস্বরে পড়বেন।
ঈদের দ্বিতীয় রাকাতের রুকুর তাকবির
ঈদের দ্বিতীয় রাকাতে রুকুর তাকবির অন্যান্য নামাজের রুকুর তাকবিরের মতোই সুন্নত।
এসআর
মন্তব্য করুন: