[email protected] শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬
২২ ফাল্গুন ১৪৩২

রোজা রেখে কি শিশুর জন্য খাবার চিবিয়ে দেওয়া যাবে?

প্রতিদিনের বাংলা ডেস্ক

প্রকাশিত: ৫ মার্চ ২০২৬ ১:১৬ পিএম

ইসলামি শরিয়াহ অনুযায়ী, রোজা পালনের প্রধান শর্ত হলো সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত

 পানাহার ও অন্যান্য নিষিদ্ধ কাজ থেকে বিরত থাকা। তবে বিশেষ প্রয়োজনে শিশুর খাবার চিবিয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে কিছু সুনির্দিষ্ট নিয়ম ও সতর্কতা রয়েছে।


​মূল বিধান: খাবার চিবিয়ে দেওয়া কি জায়েজ?
​মাকরূহ হওয়া: রোজা রেখে কোনো বিশেষ কারণ ছাড়া খাবার চিবানো 'মাকরূহ' বা অপছন্দনীয় কাজ।


​বিকল্প ব্যবস্থা: শিশু যদি নিজে খেতে না পারে, তবে এমন কাউকে দিয়ে খাবার চিবিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করতে হবে যার রোজা নেই।


​কখন চিবিয়ে দেওয়া যাবে?
​যদি এমন কোনো পরিস্থিতি তৈরি হয় যেখানে বিকল্প কোনো ব্যবস্থা নেই এবং শিশুকে খাওয়ানোর জন্য খাবারটি নরম করা জরুরি, তবে একজন রোজাদার মা বা ব্যক্তি খাবার চিবিয়ে দিতে পারেন।

​১. খাবার চিবানোর সময় সতর্ক থাকতে হবে যেন খাবারের কোনো অংশ বা স্বাদ কণ্ঠনালির নিচে (গলায়) না যায়।


২. যদি অনিচ্ছাবশত খাবারের অংশ বা স্বাদ পেটে চলে যায়, তবে রোজা ভেঙে যাবে।


৩. প্রাচীন ফকিহদের মতে (যেমন ইবরাহীম নাখায়ী রহ.), যদি খাদ্য গলায় চলে না যায়, তবে রোজাদারের জন্য শিশুর খাবার চিবানোতে কোনো সমস্যা নেই।


​যেসব কারণে রোজা ভেঙে যায় (সংক্ষেপে)
​সংবাদটিতে উল্লেখিত রোজা ভঙ্গের প্রধান কয়েকটি কারণ হলো:


​ভুলে খাওয়ার পর 'রোজা ভেঙে গেছে' মনে করে ইচ্ছাকৃতভাবে কিছু খাওয়া।
​ধূমপান বা তামাক জাতীয় দ্রব্য সেবন।
​অখাদ্য (যেমন- পাথর, কয়লা, মাটি, কাগজ) গিলে ফেলা।


​নাক বা কানের ছিদ্র দিয়ে তরল ওষুধ প্রবেশ করানো।
​দাঁতের রক্ত থুতুর চেয়ে বেশি হওয়া এবং তা গিলে ফেলা।
​ইচ্ছাকৃতভাবে বমি করা।
​সময় শেষ হওয়ার পর সেহরি খাওয়া বা সময়ের আগে ইফতার করা।


​ শিশুর খাবারের জন্য ব্লেন্ডার বা অন্য কোনো আধুনিক পদ্ধতি ব্যবহার করা উত্তম, যাতে রোজার পবিত্রতা নিয়ে কোনো সংশয় না থাকে।

এসআর

মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর