পবিত্র রমজান মাস রহমত, বরকত ও মাগফিরাতের বিশেষ সুযোগ নিয়ে আসে, তাই
একজন মুমিনের উচিত যথাযথ প্রস্তুতি ও আনন্দের সঙ্গে এই মাসকে বরণ করে নেওয়া।
রমজানকে সফল করতে প্রথমেই সুস্থতা ও ইবাদতের তাওফিক চেয়ে বিশেষ দোয়া ও আন্তরিকতা বজায় রাখা প্রয়োজন, যেমনটি নবীজি (সা.) রজব মাস থেকেই করতেন।
এই মাস পাওয়া আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহ, তাই কৃতজ্ঞতা ও আনন্দ প্রকাশের পাশাপাশি সাহাবায়ে কেরামের মতো একে অপরকে রমজানের সুসংবাদ দেওয়া সুন্নাহ।
রমজানের প্রতিটি মুহূর্ত কাজে লাগাতে মাসব্যাপী সঠিক পরিকল্পনা ও দৃঢ় সংকল্প করা জরুরি, যার মধ্যে নিয়মিত নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত এবং গুনাহ থেকে তওবা করার বিষয়টি গুরুত্ব পাবে।
কেবল পানাহার বর্জন নয়, বরং রোজার প্রকৃত উদ্দেশ্য অর্জনে এর সঠিক মাসআলা-মাসায়েল জানা এবং মিথ্যা ও অন্যায় কাজ থেকে বিরত থাকা অপরিহার্য।
এছাড়া রমজান যেহেতু দান ও মহানুভবতার মাস, তাই অসহায়দের সহায়তা, যাকাত প্রদান এবং প্রতিবেশী ও সহকর্মীদের ইফতারে আপ্যায়নের মাধ্যমে মানবিকতার পরিচয় দেওয়া উচিত, যা নবীজি (সা.)-এর আদর্শের প্রতিফলন।
এসআর
মন্তব্য করুন: