আজ রোববার খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব ইস্টার সানডে পালিত হচ্ছে।
যিশুখ্রিস্টের পুনরুত্থানকে কেন্দ্র করে এ দিনটি বিশ্বজুড়ে গভীর শ্রদ্ধা ও আনন্দের সঙ্গে উদযাপন করা হয়। বিশ্বাস অনুযায়ী, মৃত্যুকে পরাজিত করে নতুন জীবনের সূচনার প্রতীক এই দিনটি মানবতার জন্য আশার বার্তা বহন করে।
ইস্টার সানডের তারিখ প্রতি বছর নির্দিষ্ট থাকে না। বসন্ত বিষুবের পর প্রথম পূর্ণিমার পরবর্তী রোববার এ উৎসব পালিত হয়। সেই হিসেবে চলতি বছর ইস্টার উদযাপিত হচ্ছে ৫ এপ্রিল।
ধর্মীয় ঐতিহ্য অনুযায়ী, গুড ফ্রাইডেতে ক্রুশবিদ্ধ হওয়ার পর তৃতীয় দিনে যিশুখ্রিস্ট পুনরায় জীবিত হন। এই ঘটনাই ইস্টারের মূল তাৎপর্য, যা খ্রিস্টান বিশ্বাসে আত্মত্যাগ, পুনর্জাগরণ ও কল্যাণের বার্তা বহন করে।
বড়দিনের পর ইস্টারকে খ্রিস্টধর্মের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উৎসব হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এ উপলক্ষে গির্জায় বিশেষ প্রার্থনা, ধর্মীয় আচার এবং সামাজিক নানা আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।
উৎসবের অংশ হিসেবে রঙিন ডিম বা ‘ইস্টার এগ’ বিনিময়, শিশুদের জন্য উপহার বিতরণ এবং আনন্দঘন নানা আয়োজন এখন বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। কিছু স্থানে ‘ইস্টার বানি’ চরিত্রের মাধ্যমে শিশুদের মাঝে উৎসবের আনন্দ ছড়িয়ে দেওয়া হয়।
ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের পাশাপাশি ভালোবাসা, ত্যাগ ও মানবসেবার শিক্ষাই ইস্টার সানডের মূল বার্তা হিসেবে বিবেচিত হয়।
এসআর