[email protected] মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬
১৯ কার্তিক ১৪৩৩

৩৫ উড়োজাহাজ কিনতে সরকারের সরাসরি কোনো অর্থ ব্যয় হচ্ছে না: বিমানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬ ১০:২২ পিএম

সংগৃহীত ছবি

বোয়িং ও এয়ারবাস থেকে ৩৫টি নতুন উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্তে সরকারের সরাসরি

 কোনো অর্থ ব্যয় হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। তিনি জানান, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স তাদের নিজস্ব আয় থেকেই পর্যায়ক্রমে এই অর্থ পরিশোধ করবে; এক্ষেত্রে সরকার কেবল গ্যারান্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে।

​রোববার (১ নভেম্বর) বিকেলে জাতীয় সংসদে অনুষ্ঠিত বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির দ্বিতীয় সভায় মন্ত্রী এসব তথ্য জানান। সভায় সভাপতিত্ব করেন সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী।

​কমিটির বৈঠকে মন্ত্রণালয়ের শূন্য পদগুলো দ্রুত পূরণের পাশাপাশি বিগত আট মাসে সিভিল এভিয়েশনের বিভিন্ন কার্যক্রম ও কেনাকাটার অগ্রগতি প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সুপারিশ করা হয়। এছাড়া সিভিল এভিয়েশন, বিমান ও পর্যটনের কেনাকাটা, বদলি, নিয়োগ এবং বিমানবন্দর তদারকির লক্ষ্যে ৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি সাব-কমিটি গঠনের প্রস্তাব করা হয়। পাশাপাশি অধীনস্থ সংস্থাগুলোর কার্যক্রম তদারকিতে আকস্মিক পরিদর্শনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

​মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত উল্লেখ করেন, বিগত ২০ বছরে জবাবদিহিতা না থাকায় পরিকল্পনাহীনভাবে নানা প্রকল্প নেওয়া হয়েছে, তবে বর্তমান সরকার যেকোনো কেনাকাটায় শতভাগ স্বচ্ছতা নিশ্চিতে অঙ্গীকারবদ্ধ। উড়োজাহাজ সংকট এড়াতে এখনই চুক্তি করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে তিনি বলেন, এসব উড়োজাহাজ বহরে যুক্ত হতে প্রায় ১০ বছর সময় লাগবে এবং ততদিনে বর্তমান বহরের উড়োজাহাজগুলো পর্যায়ক্রমে অকার্যকর (গ্রাউন্ডেড) হতে থাকবে। অতীতে হওয়া অপ্রয়োজনীয় কেনাকাটার সঠিক তদন্ত করা হবে এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বহাল থাকবে বলেও জানান তিনি।

​বগুড়া বিমানবন্দর প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, সেখানে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জন্য প্রায় ২ হাজার একর জায়গা প্রয়োজন এবং বড় আকারের (ওয়াইড বডি) এয়ারক্রাফট উড্ডয়নের উপযোগী রানওয়ে তৈরির পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

​উক্ত সভায় কমিটির সদস্য আলতাফ হোসেন চৌধুরী, লুৎফুল্লাহেল মাজেদ, সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, আলহাজ জসীম উদ্দীন আহমেদ, মোছা. সুরাইয়া জেরিন, শওকত আরা আক্তার, মো. কামরুল হাসান এমপি, মো. আবু তালিব এবং বিশেষ আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ব্যারিস্টার গিয়াস উদ্দিনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এইচ/এম

সম্পর্কিত খবর