আগামী বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ বরণ করে নিতে দেশব্যাপী বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়। রোববার (২৯ মার্চ) সচিবালয়ে সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এসব সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়। প্রতি বছরের মতো
এবারও নববর্ষকে একটি জাতীয় উৎসবে রূপ দিতে সরকারি-বেসরকারি পর্যায় ও স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বয়ে নানা আয়োজনের পরিকল্পনা করা হয়েছে।
শোভাযাত্রা ও সাংস্কৃতিক উৎসব: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের মঙ্গল শোভাযাত্রা এবং ছায়ানটসহ বিভিন্ন সংগঠনের ঐতিহ্যবাহী বর্ষবরণ অনুষ্ঠান আয়োজিত হবে।
জাতীয় ও স্থানীয় আয়োজন: জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বৈশাখি র্যালি, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও লোকজ মেলার আয়োজন করা হবে। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি কেন্দ্রীয় ও আঞ্চলিক পর্যায়ে বিশেষ অনুষ্ঠান করবে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিশু একাডেমি: দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উৎসবমুখর পরিবেশে নববর্ষ পালিত হবে। এছাড়া শিশুদের জন্য চিত্রাঙ্কন, রচনা ও কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করবে শিশু একাডেমি।
প্রচার ও বিশেষ আয়োজন: বিসিকের উদ্যোগে বৈশাখি মেলা এবং সংবাদপত্রগুলোতে বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশিত হবে। টেলিভিশন ও বেতারে প্রচারিত হবে বিশেষ অনুষ্ঠানমালা।
আর্থ-সামাজিক প্রতিষ্ঠান: কারাগার, হাসপাতাল ও শিশু পরিবারগুলোতে এদিন উন্নতমানের খাবার পরিবেশন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করা হবে।
নিরাপত্তা ও বরাদ্দ: উৎসব নির্বিঘ্ন করতে সারাদেশে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
এসআর
মন্তব্য করুন: