[email protected] বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬
১৮ চৈত্র ১৪৩২

রাতে দেরি করে খাওয়া বন্ধ করলে শরীরে যেসব ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটে

প্রতিদিনের বাংলা ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৩ মার্চ ২০২৬ ১০:২৩ এএম

রাতে দেরি করে খাওয়ার অভ্যাস ত্যাগ করলে শরীরের অভ্যন্তরীণ কার্যপ্রণালীতে ব্যাপক ইতিবাচক পরিবর্তন আসে যা কেবল ওজন কমানোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। ব্রিটিশ জার্নাল অফ নিউট্রিশন ও হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুলের

 গবেষণা অনুযায়ী, ঘুমানোর অন্তত দুই থেকে তিন ঘণ্টা আগে খাবার খাওয়া বন্ধ করলে হজম প্রক্রিয়া মসৃণ হয় এবং পেট ফাঁপা বা অম্লতার সমস্যা কমে যায়।

টানা ৯০ দিন এই নিয়ম মেনে চললে শরীরের ঘ্রেলিন ও লেপটিন হরমোনের ভারসাম্য ফিরে আসে, ফলে অহেতুক ক্ষুধার প্রবণতা কমে এবং বিপাকক্রিয়া আরও কার্যকর হয়ে ওঠে। এছাড়া গভীর রাতে না খেলে শরীরের তাপমাত্রা ও হৃদস্পন্দন স্বাভাবিক থাকে যা অনিদ্রা দূর করে গভীর ও সতেজ ঘুম নিশ্চিত করতে সাহায্য করে।

এই অভ্যাস অন্ত্রের মাইক্রোবায়োম বা উপকারী ব্যাকটেরিয়াকে বংশবৃদ্ধির সময় দেয়, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং পুষ্টির শোষণ উন্নত করে। বিশেষ করে যাদের বুকজ্বালা বা অ্যাসিড রিফ্লাক্সের সমস্যা রয়েছে, তারা তিন মাস রাতে আগেভাগে খাবার খাওয়ার অভ্যাস করলে খাদ্যনালীর প্রদাহ ও অস্বস্তি থেকে প্রাকৃতিকভাবে মুক্তি পেতে পারেন।

এসআর

মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর