[email protected] বৃহঃস্পতিবার, ৬ আগস্ট ২০২৬
২১ শ্রাবণ ১৪৩৩

ইফতারে মুড়ি-জিলাপি মাখা: ঐতিহ্যের স্বাদ বনাম স্বাস্থ্যঝুঁকি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ৬:৫৩ এএম

বাঙালির ইফতারি মানেই মুড়ি মাখা। ছোলা, পেঁয়াজু, বেগুনি আর সরিষার তেলের সেই চিরচেনা স্বাদে নতুন মাত্রা যোগ করে জিলাপি।

 তবে এই মিশ্রণটি কি কেবলই স্বাদের বিলাসিতা, নাকি এতে লুকিয়ে আছে কোনো স্বাস্থ্যঝুঁকি? প্রতিবছর রমজানে এই বিতর্ক যেমন জমে ওঠে, তেমনি এর পুষ্টিগুণ নিয়েও সচেতন থাকা জরুরি।

​মুড়ি বাংলার একটি সহজপাচ্য খাদ্য, আর জিলাপির ইতিহাস মোগল আমলের। বিশেষ করে পুরান ঢাকার ইফতার সংস্কৃতিতে এই মুড়ি-জিলাপি মাখা অত্যন্ত জনপ্রিয়। পুষ্টিবিদদের মতে:
​তাৎক্ষণিক শক্তি: জিলাপির চিনি দ্রুত গ্লুকোজে রূপান্তরিত হয়ে সারাদিনের ক্লান্তি দূর করে।
​সহজপাচ্য: মুড়ি কার্বোহাইড্রেটের ভালো উৎস যা সহজে হজম হয়।


​মানসিক প্রশান্তি: প্রিয় স্বাদের এই খাবারটি রোজা শেষে মনে এক ধরনের প্রশান্তি জোগায়।
​সতর্কতা যখন জরুরি
​সুস্বাদু হলেও এই মিশ্রণটি সবার জন্য নিরাপদ নাও হতে পারে:


​রক্তে শর্করা: জিলাপি ও মুড়ির উচ্চ গ্লাইসেমিক লোড রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বাড়িয়ে দেয়।
​দীর্ঘমেয়াদী ঝুঁকি: নিয়মিত অতিরিক্ত চিনিযুক্ত জিলাপি খেলে ওজন বৃদ্ধি, ডায়াবেটিস এবং হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়তে পারে।


​ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য: উচ্চ রক্তচাপ বা দীর্ঘস্থায়ী কোনো রোগ থাকলে পরিমিতিবোধ বজায় রাখা অপরিহার্য।


​মূল কথা: মুড়িতে জিলাপি মেশানো সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত পছন্দের বিষয়। তবে উৎসবের আমেজে সুস্থ থাকতে চাইলে পরিমিত পরিমাণ খাবার খাওয়াই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।

এসআর

সম্পর্কিত খবর