[email protected] সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬
২২ চৈত্র ১৪৩২

ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলে ৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্প, সুনামি সতর্কতা জারি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২ এপ্রিল ২০২৬ ৯:২৫ এএম

সংগৃহীত ছবি

ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলে নর্থ মালুকু সাগরে শক্তিশালী ৭ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) টারনেট উপকূলের কাছাকাছি এ কম্পন অনুভূত হয়। এতে ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে এবং আশপাশের উপকূলীয় এলাকায় সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়েছে।


আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পের কারণে কিছু এলাকায় ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অন্তত একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে এবং আতঙ্কে ভবন থেকে লাফিয়ে পড়ে একজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। উদ্ধারকর্মীরা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন।


স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, কম্পনটি বেশ কিছু সময় স্থায়ী ছিল এবং হঠাৎ করেই তীব্রতা বাড়ে। অনেকেই ঘর থেকে দ্রুত বের হয়ে রাস্তায় আশ্রয় নেন। কেউ কেউ আতঙ্কে স্বাভাবিক কাজ ফেলে বেরিয়ে আসেন।


মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার (ইউএসজিএস) তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির গভীরতা ছিল প্রায় ৩৫ কিলোমিটার। প্রাথমিকভাবে এর মাত্রা বেশি ধরা হলেও পরে তা সংশোধন করে ৭.৪ নির্ধারণ করা হয়। এর কেন্দ্রস্থল ছিল টারনেট শহর থেকে প্রায় ১২০ কিলোমিটার দূরে সমুদ্র এলাকায়।


কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, টারনেট ও তিদোরসহ আশপাশের দ্বীপগুলোতে মানুষকে প্রয়োজনে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে। কিছু স্থানে ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবরও স্থানীয় মাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে।
সুনামি সতর্কতা সংস্থাগুলোর তথ্য বলছে, ভূমিকম্পের কেন্দ্র থেকে প্রায় ১ হাজার কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন ও মালয়েশিয়ার উপকূলে ঢেউ আছড়ে পড়ার ঝুঁকি রয়েছে। কোথাও কোথাও জোয়ারের স্বাভাবিক উচ্চতার চেয়ে ০.৩ থেকে ১ মিটার পর্যন্ত ঢেউ হতে পারে।
তবে জাপানসহ দূরবর্তী অঞ্চলে সম্ভাব্য ঢেউ তুলনামূলকভাবে ছোট হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে এবং বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা কম বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো।
উল্লেখ্য, ইন্দোনেশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরের ‘রিং অব ফায়ার’ অঞ্চলে অবস্থিত হওয়ায় দেশটিতে প্রায়ই ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ঘটনা ঘটে।

এসআর

সম্পর্কিত খবর