প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালি দিয়ে কোনো জ্বালানি তেল আমদানি করে না এবং ভবিষ্যতেও করবে না; তাই এই পথের নিরাপত্তার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট
ব্যবহারকারী দেশগুলোকেই নিতে হবে।
ট্রাম্পের মতে, যুদ্ধ শেষ হলে ইরান নিজের দেশ পুনর্গঠনের প্রয়োজনে তেল বিক্রি শুরু করবে, যার ফলে বিশ্ববাজারে জ্বালানির সরবরাহ বাড়বে এবং তেলের দাম দ্রুত কমে আসবে।
সংঘাত বন্ধ হলে শেয়ার বাজারের সূচক দ্রুত ঊর্ধ্বমুখী হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
আগামী দুই সপ্তাহ ইরানে ব্যাপক সামরিক অভিযান চালানোর ঘোষণা দিয়েছেন ট্রাম্প, যা দেশটির বিদ্যুৎ উৎপাদনসহ বিভিন্ন অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে চালানো হতে পারে।
এই দুই সপ্তাহের মধ্যে ইরানকে যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত মেনে নতুন চুক্তিতে আসার আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছে; অন্যথায় ইরানের সব বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র ধ্বংস করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সকালে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে ট্রাম্প এই কঠোর অবস্থান তুলে ধরেন।
এসআর