ঐতিহাসিক মাইলফলক দীর্ঘ ৫০ বছরেরও বেশি সময় পর নাসার হাত ধরে আবারও চাঁদের অভিমুখে যাত্রা শুরু করেছে মানুষ। ফ্লোরিডার
কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে গত বুধবার সফলভাবে এই চন্দ্রাভিযান শুরু হয়।
চার নভোচারীর দল: এই মিশনে অংশ নিচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের রিড উইজম্যান, ভিক্টর গ্লোভার, ক্রিস্টিনা কক এবং কানাডার জেরেমি হ্যানসেন।
রকেট উৎক্ষেপণ: ৩২ তলা বিশিষ্ট বিশালাকার রকেটটি হাজার হাজার দর্শকের উপস্থিতিতে উৎসবমুখর পরিবেশে মহাকাশে ডানা মেলে।
মিশনের মূল লক্ষ্য: ১০ দিনের এই সফরে নভোচারীরা চাঁদের চারপাশে প্রদক্ষিণ করবেন এবং মহাকাশযানটির নিরাপত্তা ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা পরীক্ষা করবেন; তবে এই দফায় তারা চাঁদে অবতরণ করবেন না।
মানবজাতির প্রতিনিধি: কানাডীয় নভোচারী জেরেমি হ্যানসেন জানান, তারা পুরো বিশ্বের মানুষের পক্ষ থেকে এই সাহসিকতাপূর্ণ অভিযানে শামিল হয়েছেন।
লঞ্চ ডিরেক্টরের শুভকামনা: অভিযানের শুরুতেই লঞ্চ ডিরেক্টর চার্লি ব্ল্যাকওয়েল-থম্পসন নভোচারীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, তারা নতুন প্রজন্মের স্বপ্ন ও বিশ্বজুড়ে অংশীদারদের সমর্থন বহন করছেন।
চূড়ান্ত পরিকল্পনা: আর্টেমিস-২ সফল হলে ২০২৮ সালে আর্টেমিস-৪ মিশনের মাধ্যমে সরাসরি চাঁদের মাটিতে পা রাখার পরিকল্পনা রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের, যা ১৯৭২ সালের অ্যাপোলো মিশনের পর প্রথম হবে।
এসআর
মন্তব্য করুন: