চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় দেশের ২৯৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেননি।
তবে এ ধরনের সিদ্ধান্তের কারণে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের চাকরি হারানোর কোনো সুযোগ নেই বলে স্পষ্ট করেছেন তিনি।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে শিক্ষামন্ত্রী এসব তথ্য জানান।
তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন এলাকায় প্রয়োজনের তুলনায় বেশি কলেজ গড়ে উঠেছে। এসব প্রতিষ্ঠান একসঙ্গে বন্ধ করে দেওয়া বাস্তবসম্মত নয়। তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম আরও কার্যকর করতে কী ধরনের পুনর্বিন্যাস করা যায়, তা নিয়ে সরকার চিন্তা করছে।
শিক্ষামন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, যেসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশ নিয়েও উত্তীর্ণ হতে পারেননি, সেগুলোর ক্ষেত্রে আশপাশের কলেজের সঙ্গে একীভূত করার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে। তবে পুনর্গঠন বা একীভূতকরণের সিদ্ধান্তে কোনো শিক্ষকের চাকরি ঝুঁকির মুখে পড়বে না।
এদিকে এইচএসসি পরীক্ষায় এক কিংবা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের জন্য পুনরায় পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়ার কথাও জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। আগামী এক থেকে দুই মাসের মধ্যে এ বিষয়ে পরীক্ষার আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।
তিনি জানান, শিক্ষার্থীদের সব বিষয়ে নতুন করে পরীক্ষা দিতে হবে না। যে বিষয়গুলোতে তারা অকৃতকার্য হয়েছে, কেবল সেগুলোতেই পুনরায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, এবারের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় সারাদেশে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫২ দশমিক ১২ শতাংশে। গত এক দশকের মধ্যে এটিই সর্বনিম্ন পাসের হার।
এফ/ডি