শিক্ষাঙ্গনে রাজনীতিমুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি ও মানসম্মত শিক্ষা সুনিশ্চিত করতে বেসরকারি
মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জন্য নতুন আচরণবিধি প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এই প্রস্তাবিত বিধিমালার মাধ্যমে শিক্ষকদের সরাসরি দলীয় রাজনীতিতে যুক্ত থাকা, রাজনৈতিক পদ ধারণ, প্রচারণায় অংশ নেওয়া এবং নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ওপর স্পষ্ট বিধিনিষেধ বা সীমাবদ্ধতা আসতে পারে। পাশাপাশি পাঠদানে ব্যাঘাত ঘটায় এমন শিক্ষাবহির্ভূত ব্যবসা বা পেশায় যুক্ত থাকার বিষয়েও স্পষ্ট নীতি নির্ধারণ করা হচ্ছে। অতিসম্প্রতি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নানা সমস্যা, ঝরে পড়া রোধ এবং মানোন্নয়ন নিয়ে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেওয়া ১৫ দফা অনুশাসনের ধারাবাহিকতায় শিক্ষামন্ত্রণালয় ও মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) খসড়া তৈরির কাজ শুরু করেছে।
নতুন এই উদ্যোগে শিক্ষকতার মর্যাদা বৃদ্ধি, পেশাগত শৃঙ্খলার কাঠামো তৈরি এবং শ্রেণিকক্ষে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। একইসঙ্গে শিক্ষকদের উপস্থিতি ও নিয়মিত পাঠদান তদারকিতে সময়াবদ্ধ অভিন্ন রুটিন, প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি এবং 'ডিএমএস অ্যাপ'-এর মাধ্যমে ভিডিও কলে মনিটরিং করার পরিকল্পনা গৃহীত হয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক প্রফেসর ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল জানান, এই নতুন বিধিমালার প্রধান উদ্দেশ্য কোনো শিক্ষককে অযথা নিয়ন্ত্রণ করা নয়, বরং শিক্ষকতার ভাবমূর্তি সমুন্নত রেখে একটি শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলা। শিক্ষক সংকট নিরসন, শিক্ষক প্রশিক্ষণ এবং শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়মুখী করতে সহশিক্ষা কার্যক্রম বৃদ্ধির কর্মপরিকল্পনাও এর সঙ্গে বাস্তবায়িত হচ্ছে।
এসআর