অনলাইন ক্লাসের অকার্যকারিতা: অভিভাবক ফোরামের মতে, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে অনলাইন ক্লাস খুব একটা কার্যকর হয় না, যা সরাসরি পড়াশোনার মানকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
আর্থিক ও যান্ত্রিক চাপ: উচ্চগতির ইন্টারনেট এবং স্মার্ট ডিভাইসের বাড়তি খরচ বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে অভিভাবকদের জন্য একটি বড় আর্থিক বোঝা হয়ে দাঁড়াবে।
তদারকির সমস্যা: বিশেষ করে কর্মজীবী অভিভাবকদের পক্ষে সন্তানদের বাড়িতে রেখে অনলাইন ক্লাস তদারকি করা প্রায় অসম্ভব বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিকল্প প্রস্তাব (৪ দিন ক্লাস): ৩+৩ মডেল (৩ দিন সশরীরে ও ৩ দিন অনলাইন) বাতিল করে সপ্তাহে ৪ দিন সশরীরে ক্লাস চালু এবং বাকি ৩ দিন স্কুল পুরোপুরি বন্ধ রাখার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
সাশ্রয়ী পদক্ষেপ: বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য স্কুলের কার্যঘণ্টা কমানো, এসির ব্যবহার সীমিত করা এবং প্রাকৃতিক আলো-বাতাস নিশ্চিত করার পরামর্শ দিয়েছেন অভিভাবকরা।
যৌক্তিক সিদ্ধান্তের দাবি: শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনের ক্ষতি না করে সরকারের প্রতি দ্রুত একটি বাস্তবসম্মত ও শিক্ষার্থীবান্ধব সিদ্ধান্ত নেওয়ার জোর দাবি জানানো হয়েছে।
বর্তমান প্রেক্ষাপট: রমজানের ছুটি ও অন্যান্য ঘাটতি মেটাতে বর্তমানে শনিবারসহ সপ্তাহে ৬ দিন ক্লাস চললেও নতুন সংকটে এই রুটিন পরিবর্তনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।
এসআর
মন্তব্য করুন: