[email protected] শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬
২২ কার্তিক ১৪৩৩

পাকুন্দিয়ায় শীতকালীন সবজি চাষে ব্যস্ত কৃষকেরা, লাভের আশা ও লোকসানের শঙ্কা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৬ নভেম্বর ২০২৬ ৮:৪৬ পিএম

সংগৃহীত ছবি

শীতের আগমনে কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার গ্রামীণ জনপদে শুরু হয়েছে

 শীতকালীন সবজি চাষের ব্যস্ততা। তারাকান্দি, চরকাওনা মুনিয়ারীকান্দা, জাঙ্গালিয়া, চরফরাদী ও চণ্ডিপাশা বড় আজলদীসহ বিভিন্ন এলাকায় মাঠে মাঠে চলছে জমি প্রস্তুত, চারা রোপণ, সেচ ও পরিচর্যা। উৎপাদিত সবজি স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করা হয়।

​উপজেলার বড় আজলদী গ্রামের কৃষক নজরুল ইসলাম ৪০ শতক জমিতে আগাম ফুলকপির চাষ করেছেন এবং আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে তা বিক্রির উপযোগী হবে বলে আশা করছেন। এছাড়া কৃষক গিয়াস উদ্দিন ও নাসির উদ্দিনসহ অনেকেই ফুলকপি, বাঁধাকপি, লাউ, শিম, মুলা, বেগুন, টমেটো, মরিচ এবং পালং, লাল ও ধনেশাকের আবাদ করেছেন। চারা উৎপাদন ও বিক্রির মাধ্যমেও কিছু কৃষকের বাড়তি আয়ের সুযোগ হচ্ছে।

​তবে সার, কীটনাশক, জমি চাষ, কৃষি যন্ত্রপাতি এবং শ্রমিকের মজুরি বেড়ে যাওয়ায় উৎপাদন খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে ভালো ফলন সত্ত্বেও ন্যায্যমূল্য না পেলে লোকসানের শঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষকেরা।

​চণ্ডিপাশা ব্লকের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম জানান, মাটির স্বাস্থ্য রক্ষায় কৃষকদের জৈব সার ও মাটির অম্লত্ব ভারসাম্য রক্ষায় ডলোচুন ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। পাকুন্দিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ নুরে ই আলম জানান, রবি মৌসুমে উপজেলায় প্রায় ২ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে রবি ফসলের চাষাবাদ হয়— যার মধ্যে ১ হাজার ৩০০ হেক্টরে আলু, ৩৫০ হেক্টরে পেঁয়াজ, ১৪০ হেক্টরে গম এবং উল্লেখযোগ্য পরিমাণ জমিতে শীতকালীন শাকসবজি চাষ করা হয়। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ভালো ফলন ও ন্যায্যমূল্য পাওয়ার আশা করা হচ্ছে।

এইচ/এম

সম্পর্কিত খবর